ভারতের হয়ে খেলতে চান, তবে অপেক্ষায় নেই ভুবনেশ্বর

ভারতীয় ক্রিকেট
ভুবনেশ্বর কুমার, ফাইল ছবি
ভুবনেশ্বর কুমার, ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ভারতের জার্সিতে ভুবনেশ্বর কুমারকে শেষবার দেখা গেছে প্রায় চার বছর আগে। এরপর অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও জাতীয় দলে ফেরার ইচ্ছাটা পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেননি তিনি। বরং সাম্প্রতিক আইপিএলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ৩৬ বছর বয়সী এই পেসার জানিয়ে দিলেন, সুযোগ এলে আবারও ভারতের হয়ে মাঠে নামতে প্রস্তুত।

ভারতের হয়ে সর্বশেষ ২০২২ সালের নভেম্বরে টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন ভুবনেশ্বর। এরপর জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও ঘরোয়া ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করে যাচ্ছেন তিনি। বিশেষ করে গত দুই আইপিএলে তার পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, বয়স বাড়লেও বল হাতে এখনও কার্যকর এই ডানহাতি পেসার। ২০২৫ মৌসুমে ১৭ উইকেট নেওয়ার পর ২০২৬ সালে নিজের আইপিএল ক্যারিয়ারের সেরা ২৮ উইকেট শিকার করেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার বিষয়ে এবার নিজের অবস্থানও পরিষ্কার করেছেন ভুবনেশ্বর। একটি ইউটিউব চ্যানেলে তিনি বলেন, 'আমি কিছু প্রমাণ করার জন্য খেলছি না। তবে আবার ভারতের হয়ে খেলতে পারলে আমি খুশি হব। পরের সিরিজ কবে আসবে, সেটা নিয়ে অপেক্ষা করার সময়টা আমি পেরিয়ে এসেছি।'

জাতীয় দলে ফেরার জন্য এখন আর আগের মতো অপেক্ষা করছেন না বললেও সুযোগ পেলে তা গ্রহণ করতে প্রস্তুত ভুবনেশ্বর। গত আগস্টে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও তিনি জানিয়েছিলেন, ভারতীয় দলে ডাক এলে না বলার কোনো কারণ দেখেন না। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপেও খেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত বলে জানিয়েছিলেন তিনি। তবে শেষ সিদ্ধান্ত নির্বাচকদের হাতে বলেও স্পষ্ট করেছিলেন এই পেসার।

জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর একসময় নির্বাচকদের কাছ থেকে পাওয়া ফোনে আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন ভুবনেশ্বর। তার ধারণা হয়েছিল, পরের এক-দুই সিরিজের মধ্যেই হয়তো ফেরার সুযোগ আসবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি হয়নি। বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিতে সময় লাগলেও পরিবার তাকে এই কঠিন সময় পার করতে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে জানান তিনি।

ভুবনেশ্বর বলেন, 'কয়েকটি সিরিজের কথা বলা হয়েছিল, কারণ নির্বাচকদের কাছ থেকে আমি ফোন পেয়েছিলাম। তাদের কথার ভিত্তিতে আমার মনে হয়েছিল, হয়তো পরের দুই সিরিজেই সুযোগ পাব। পরে বুঝতে পারি, বিষয়টি তেমন নয়। এটা আমাকে কষ্ট দিয়েছিল, তবে কী হচ্ছে সেটা বুঝতে পেরে আমি মেনে নিই। সহজ ছিল না, তবে এই সময়ে পরিবার বড় ভূমিকা রেখেছে।'

আরো পড়ুন: