এরপর থেকেই পুনর্বাসন ও চোটের সঙ্গে লড়ছেন তিনি। আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে খেলতে গিয়ে পিঠের পেশিতে টান পড়ায় কিছু ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। পরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জুনের ওয়ানডে সিরিজের প্রস্তুতির সময় সেন্টার অব এক্সিলেন্সে অনুশীলনে পায়ের চোটে পড়েন হার্দিক। ফলে ওই সিরিজ থেকেও ছিটকে যান।
২০২৫ সালের মার্চে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালের পর আর ওয়ানডে খেলেননি হার্দিক। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ওয়ানডে থেকে বিশ্রাম নিয়েছিলেন তিনি। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ভারতের ওয়ানডে দলের পরিকল্পনায় থাকার পরও চোটের কারণে খেলা হয়নি তার।
২০২৭ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় ওয়ানডে বিশ্বকাপ সামনে রেখে হার্দিককে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করছে ভারত। বিশেষ করে সাউথ আফ্রিকার কন্ডিশনে তার মতো অভিজ্ঞ পেস বোলিং অলরাউন্ডারের গুরুত্ব বেশি। অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ সিরিজ তাই হার্দিকের জন্য ওয়ানডের ছন্দে ফেরার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হতে পারে।
অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের ভারত সফর শুরু হবে দুটি চার দিনের ম্যাচ দিয়ে। প্রথম ম্যাচ ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর এবং দ্বিতীয় ম্যাচ ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর। এরপর হবে তিনটি ওয়ানডে। সব ম্যাচই হবে পুডুচেরিতে। চার দিনের ম্যাচে ভারত ‘এ’ দলের অধিনায়ক দেবদূত পাডিকাল, সহ-অধিনায়ক সাই সুদর্শন।
ইরানি কাপ ও এশিয়ান গেমসের সঙ্গে সূচির সংঘাত থাকায় চার দিনের দলে নেই বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ। সম্প্রতি ভারতের দলে থাকা আনশুল কম্বোজ, তনুশ কোটিয়ান ও এন জগদীশন অবশ্য দলে আছেন। ওয়ানডে দলে হার্দিক ছাড়াও রয়েছেন বেশ কয়েকজন পরিচিত খেলোয়াড়। সুযোগ পেয়েছেন সাই সুদর্শন, রজত পাতিদার, প্রিয়াংশ আরিয়া, প্রাভসিমরান সিং ও ইয়াশ ঠাকুরও দলে আছেন।
ভারতের 'এ' দলের ওয়ানডে স্কোয়াড-
প্রিয়াংশ আরিয়া, সাই সুদর্শন, দেবদূত পাডিকাল (সহ-অধিনায়ক), রুতুরাজ গায়কোয়াড় (অধিনায়ক), রজত পাতিদার, কুমার কুশাগ্র (উইকেটকিপার), নিশান্ত সিন্ধু, ভিপরাজ নিগাম, আরশিন কুলকার্নি, আরশাদ খান, নামান ধীর, হার্দিক পান্ডিয়া (ফিটনেস সাপেক্ষে), প্রাভসিমরান সিং (উইকেটকিপার), গুরজপনীত সিং ও ইয়াশ ঠাকুর।