বিগ ব্যাশের লোভনীয় প্রস্তাব ফিরিয়ে দেশকেই বেছে নিলেন স্যান্টনার

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট
মিচেল স্যান্টনার, ফাইল ফটো
মিচেল স্যান্টনার, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের আকর্ষণে নিউজিল্যান্ডের একের পর এক ক্রিকেটার কেন্দ্রীয় চুক্তি ছেড়ে ‘ক্যাজুয়াল’ চুক্তি বেছে নিচ্ছেন। বিগ ব্যাশ থেকেও এমন প্রস্তাব পেয়েছিলেন নিউ জিল্যান্ডের সাদা বলের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। প্রস্তাবটি আকর্ষণীয় হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভেবেছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেটকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

বিগ ব্যাশের সময় নিউজিল্যান্ডেও ক্রিকেট মৌসুম চলায় ওই প্রতিযোগিতায় খেললে জাতীয় দলের অনেক ম্যাচ মিস করতে হয়। টিম সেইফার্ট, অ্যাডাম মিলনে, লকি ফার্গুসন, ফিন অ্যালেন ও মার্ক চ্যাপম্যানের মতো ক্রিকেটাররা তাই কেন্দ্রীয় চুক্তির বদলে ‘ক্যাজুয়াল’ চুক্তি বেছে নিয়েছেন। অবসর নেয়ার আগে কেন উইলিয়ামসনও ছিলেন এই চুক্তিতে।

স্যান্টনার বলেন, ‘মিথ্যা বলব না, প্রস্তাবটি ভালো ছিল। তারা জানত, চুক্তির শর্ত এবং সামনে যা কিছু আসবে, সবকিছু ভাবনায় রেখেও তাদের কথা বিবেচনা করতে হলে প্রস্তাবটি আকর্ষণীয় হতে হবে। আমিও বিষয়টি নিয়ে ভেবেছিলাম। কিন্তু আমাদের সামনে যা কিছু আছে, সেদিকে তাকালে মনে হয়, টেস্টে আমি প্রতিটি ম্যাচ না খেললেও দলে আমার একটি ভূমিকা থাকবে।’

দেশের ক্রিকেটকে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সাদা বলের দলের অধিনায়কত্বও বড় ভূমিকা রেখেছে স্যান্টনারের সিদ্ধান্তে। কেন্দ্রীয় চুক্তি ছেড়ে ‘ক্যাজুয়াল’ চুক্তিতে থেকেও নেতৃত্ব চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। তবে সেটিকে সঠিক মনে হয়নি তার।

স্যান্টনার বলেন, ‘অধিনায়কত্ব ছাড়তে চাই না আমি। আমার জন্য তাই সিদ্ধান্তটি নেয়া সহজ ছিল। এমন আলোচনাও হয়েছিল যে, একটা পথ বের করা যেত। কিন্তু কেন্দ্রীয় চুক্তিতে না থেকে অধিনায়কত্ব চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা এই পর্যায়ে ঠিক হতো কি না, নিশ্চিত নই।’

আগামী বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং তার পরের বছর নিউজিল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। দুটি আসরেই থাকতে চান স্যান্টনার। তিনি বলেন, ‘আমি এসবের অংশ হতে চাই। তখনও যদি দলের নেতৃত্ব দিতে পারি, তাহলে দারুণ হবে।’

তবে সতীর্থদের ‘ক্যাজুয়াল’ চুক্তি বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করছেন না স্যান্টনার। তার মতে, নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের সুযোগের সঙ্গে আর্থিকভাবে পাল্লা দেওয়া কঠিন। তাই এই চুক্তির মাধ্যমেই ক্রিকেটারদের জাতীয় দলের সঙ্গে ধরে রাখার পথ খোলা রাখতে চান তিনি।

আরো পড়ুন: