তামিমের ৬ উইকেট, তবুও ফাইনালে লড়াই করার পুঁজি পেয়েছে অনূর্ধ্ব-২৩

গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফি
ছবিঃ ক্রিকফ্রেঞ্জি
ছবিঃ ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
লিগ পর্বের মুখোমুখি দুই ম্যাচে সমান একটি করে জয় ছিল দুই দলেরই। যদিও সবশেষ দেখায় অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে উড়িয়ে দিয়েছিল অনূর্ধ্ব-২৩ দল। কিন্তু ফাইনালের শুরুটা হলো তার ঠিক বিপরীত। ৩০ রানেই অনূর্ধ্ব-২৩ এর ৩ উইকেট তুলে নিয়ে দুর্দান্ত শুরু করে অনূর্ধ্ব-১৯ এর যুবারা। পেসার তাফিউল আলম তামিমের ৬ উইকেট শিকারে শিরোপা জয়ের ঘ্রাণ পাচ্ছিল তারা। তবে, আবদুল্লাহ, আহরার আমিন পিয়ান ও দেবাশিষ সরকারদের সম্মিলিত প্রয়াসে ২৪৫ রানের লড়াকু পুঁজি পেয়েছে অনূর্ধ্ব-২৩।

মিরপুর শের এ বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি অনূর্ধ্ব-২৩ এর ব্যাটারদের। ধীর-স্থির শুরু করা অনূর্ধ্ব-২৩ দলে প্রথম আঘাত হানেন আতিকুর রহমান আকাশ। ওপেনার আদিলকে ৬ রানেই সাজঘরে ফেরান এই বাঁহাতি পেসার।

বেশিক্ষণ টেকেননি আজিজুল হাকিম তামিম ও রিজান হোসেনরাও। তামিম ১৫ ও রিজান শূন্য রানে ফিরলে ৩০ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। এরপর দলকে কিছুটা টেনে তোলার চেষ্টা করেন অ্যালিন সিদ্দিকী ও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। আল রাফির বলে ২৪ রান করা আবদুল্লাহ উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হলে ভাঙে ৫২ রানের জুটি। খানিক বাদে ইনিংস সর্বোচ্চ ৫৪ বলে ৪৭ রান করা আবদুল্লাহও ফিরে যান আকাশের বলে বোল্ড হয়ে। আবারও চাপে পড়ে অনূর্ধ্ব-২৩ দল।

ষষ্ঠ উইকেটে ৮৬ রানের জুটি গড়ে সেই চাপ সামাল দেন পিয়ান ও দেবাশিষ। দুইজনকেই ফিরিয়ে অনূর্ধ্ব-২৩ এর বড় স্কোরের স্বপ্ন নষ্ট করে দেন ডানহাতি পেসার তামিম। ৪৬ রান করা পিয়ানকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান তামিম। ৪১ বলে ৪৩ রান করে দেবাশিষও ফিরে যান এই তামিমের শিকার হয়ে।

এরপর শেষ দিকে মাহফুজুর রাব্বি ২৬ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের রান আড়াইশর কাছাকাছি নিয়ে যান। ৪৯ ওভার ৪ বলে ২৪৫ রানে অলআউট হয় অনূর্ধ্ব-২৩ দল। তামিমের ৬ উইকেটের পাশাপাশি অনূর্ধ্ব-১৯ এর হয়ে আকাশ ৩ টি ও রাফি একটি উইকেট নেন।

আরো পড়ুন: