ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটিকে এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে জাপান। এজন্য আইসিসির নিয়মে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলার যোগ্যতা আছে কিন্তু এশিয়ান গেমসে খেলতে পারবেন না এমন ক্রিকেটারদের দলে নেয়নি তারা। এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।
২১ বছর বয়সী স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার জেইক কুসুদা-নেয়ার্ন এখনো পর্যন্ত জাপানের হয়ে খেলেননি। তবে প্রথমবারের মতো দলে ডাকা হয়েছে তাকে। ২০২৩ সালে জাপানের হয়ে তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলা সুয়োশি তাকাদাকে আবারও দলে ফেরানো হয়েছে। অনুমেয়ভাবেই দলকে নেতৃত্ব দেবেন ক্যান্ডেল কাডোওয়াকি।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৫৪ ম্যাচে জাপানের হয়ে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮৭১ রান করেছেন তিনি। জাপানের অভিজ্ঞ দুই ক্রিকেটার ডেকলান সুজুকি-ম্যাককম্ব ও ইব্রাহিম তাকাহাশিও স্কোয়াডে আছেন। তারা দুজনই পঞ্চাশের বেশি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন।
আগামী ২২ সেপ্টেম্বর জাপানের সানো ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও জাপানের ঐতিহাসিক ম্যাচটি। সম্প্রচার স্বত্ব পেতে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ক্রিকবাজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্যানকোড ম্যাচের সম্প্রচার স্বত্ব পেয়েছে।
জাপানের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড— ক্যান্ডেল কাডোওয়াকি-ফ্লেমিং (অধিনায়ক), চার্লি হারা-হিঞ্জে, বেনজামিন ইতো-ডেভিডস, অ্যালেস্টার কাডোওয়াকি-ফ্লেমিং, কোহেই কুবোতো, জেইক কুসুদা-নেয়ার্ন, ওয়াতাড়ু মিয়াউচি, রেও সাকুরানো-থমাস, অ্যালেক্স শিরাই-প্যাটমোর, শোমা সুগায়া-স্লেটার, ডেকলান সুজুকি-ম্যাককম্ব, সুয়োশি তাকাদা, ইব্রাহিম তাকাহাশি, মাকোতো তানিয়ামা এবং লাকলান ইয়ামামোতো-লেইক।