প্রথম দুই টেস্টেই বড় ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। প্রথম ম্যাচে ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং লর্ডসের দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে পরাজিত হয় তারা। চার ইনিংসের একটিতেও দুইশ রানের গণ্ডি পেরোতে পারেনি দলটি। এরপরই তৃতীয় টেস্টের আগে দলে ব্যাপক পরিবর্তনের পথে হাঁটে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।
'আমি নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছি যে সবকিছু ঠিক আছে। কিন্তু আসলে তা নয়। পাকিস্তান ক্রিকেট যে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে, এই সিদ্ধান্ত সেটিই দেখাচ্ছে। এটা ক্রিকেটের জন্য ভালো নয়, নতুন যারা দলে আসছে তাদের আত্মবিশ্বাসের জন্যও নয়। এমনকি যারা দলে টিকে গেছে, তাদের জন্যও নয়। কারণ এ ধরনের সিদ্ধান্ত একটি দলকে স্বার্থপর করে তুলতে পারে।'
রমিজের আপত্তির মূল জায়গা দলে পরিবর্তনের ধরন নিয়ে। এক টেস্ট বাকি থাকতেই মোহাম্মদ রিজওয়ান, সালমান আলি আঘা ও ইমাম-উল-হকসহ সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।
তাদের জায়গায় আনা হয়েছে মাইক হেসন ও অ্যাশলি নফকে। দুজনই আগে পাকিস্তানের সাদা বলের দলের দায়িত্বে ছিলেন। অন্যদিকে তৃতীয় টেস্টের দলে যোগ করা হয়েছে আরাফাত মিনহাস, মোহাম্মাদ ইমরান জুনিয়র, সাইদ বেগ, মোহাম্মাদ ইমরান ও রাজাউল্লাহকে। এই পাঁচজনের কারও টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা নেই। সাইম আইয়ুব ও আবদুল্লাহ ফজলও ফিরেছেন দলে।
'তারা যে ফল এনে দেবে, তার নিশ্চয়তা কোথায়? এদের কয়েকজন তো টেস্ট ক্রিকেটই খেলেনি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, সেটাই আমার কাছে পরিষ্কার নয়।'
সিরিজ চলার সময় কোচ বদলের সিদ্ধান্তও অস্বাভাবিক মনে হয়েছে রমিজের কাছে। ফুটবলে মৌসুমের মাঝপথে কোচ ছাঁটাইয়ের ঘটনা দেখা গেলেও ক্রিকেটে এমন নজির তার চোখে পড়েনি, 'বিশ্ব ক্রিকেটে আমরা এমন ঘটনা কতবার দেখেছি? কখনোই না। এটা অনেকটা ফুটবলের মতো- মৌসুমের মাঝপথে একজন কোচকে বরখাস্ত করা। পরিস্থিতি কীভাবে ঠিক করা যায়, সেটার কোনো ধারণা আমার নেই।'