উইন্ডহুকে আগে ব্যাট করা সাউথ আফ্রিকা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৫ রান করে। ইনিংসের মাঝপথে বেশ শক্ত অবস্থানেই ছিল দলটি। ১৫ ওভার শেষে ১৪৮ রান জমা হয়েছিল তাদের। কিন্তু শেষ দিকে দ্রুত উইকেট হারানোয় বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা আর বাস্তবে রূপ নেয়নি।
সাউথ আফ্রিকার ইনিংসের মূল নায়ক প্রিটোরিয়াস। ৫১ বলের ঝড়ো ইনিংসে ১২টি চার ও ২টি ছক্কা মেরে ৯৪ রান করেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটিই তার সর্বোচ্চ রান। ওপেনিংয়ে তার সঙ্গে ২৮ রানের জুটি গড়েন জর্ডান হেরমান। এরপর ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের ৪১ রানের ইনিংসও দলের সংগ্রহকে সমৃদ্ধ করে।
ব্যাটিংয়ে এমন শুরু পেলেও শেষ পাঁচ ওভারে সাউথ আফ্রিকার ছন্দ নষ্ট হয়ে যায়। মাত্র ৩৭ রান তুলতেই ছয় উইকেট হারায় তারা। ব্রেভিসের পর আর কেউ বড় ইনিংস খেলতে না পারায় ১৮৫ রানেই থামতে হয় দলটিকে।
জবাবে শুরু থেকেই সাউথ আফ্রিকার বোলারদের সামনে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ৬৬ রান তুলতেই তাদের আট ব্যাটার সাজঘরে ফেরেন। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ৩৩ বলে ৪৫ রান করে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের গতিপথ বদলাতে পারেননি।
শেষ পর্যন্ত ১৪ বল হাতে রেখেই ১৪২ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে ১০ নম্বরে ব্যাট করতে নামা নিউম্যান নিয়ামুরির ব্যাট থেকে, ২৭। সাউথ আফ্রিকার হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক বিয়ন ফরচুন। ২৪ রানে চার উইকেট নিয়ে টি-টোয়েন্টিতে নিজের সেরা বোলিং করেন বাঁহাতি এই স্পিনার।
এই সফরে নিয়মিত দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে বিশ্রাম দিয়েছে সাউথ আফ্রিকা। শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি, নামিবিয়ার কাছে হেরেছিল তারা। তবে এরপর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে সিরিজে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে প্রোটিয়ারা।