পারফরম্যান্সে সমর্থক হারাচ্ছে পাকিস্তান, সতর্কবার্তা রমিজের

ইংল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজ
পাকিস্তান দল, ফাইল ফটো
পাকিস্তান দল, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
এক সময় পাকিস্তান ক্রিকেটের বড় শক্তি ছিল তাদের উন্মাদ সমর্থকগোষ্ঠী। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মাঠের পারফরম্যান্সের কারণে সেই সমর্থনেও ভাটা পড়ছে বলে মনে করছেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সাবেক চেয়ারম্যান রমিজ রাজা। তার মতে, এভাবে চলতে থাকলে ক্রিকেটের প্রতি দর্শকদের আগ্রহ আরও কমে যেতে পারে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ১০৩ রানের বড় ব্যবধানে হারের পর পাকিস্তানকে নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। লিডসে হারের পর বৃহস্পতিবার লর্ডসে শুরু হচ্ছে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। চোটের কারণে প্রথম টেস্টে খেলতে না পারা অধিনায়ক বাবর আজমের ফিটনেস নিয়েও রয়েছে শঙ্কা।

এক ক্রিকেট অনুষ্ঠানে রমিজ বলেন, পাকিস্তানের সমর্থকেরা প্রতিটি ম্যাচে জয় প্রত্যাশা করেন না। তবে তারা দলের মধ্যে লড়াইয়ের মানসিকতা, ইতিবাচক শারীরিক ভাষা এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা দেখতে চান।

তিনি বলেন, 'সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন তাদের নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। তারা ইতোমধ্যে অনেক সমর্থক হারিয়েছে। আরেকটি হার মানেই আরও অনেক সমর্থক ক্রিকেট থেকে দূরে সরে যাওয়া।'

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকাকালে সমর্থকগোষ্ঠী ও পাকিস্তান ক্রিকেটের ভাবমূর্তি শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন রমিজ। তার মতে, সমর্থকদের আস্থা হারানো যেকোনো দলের জন্যই বড় সমস্যা হয়ে উঠতে পারে।

রমিজ বলেন, 'পাকিস্তানকে সমর্থকদের পাশে থাকার কারণ দিতে হবে। আমি সব সময় বিশ্বাস করেছি, যখন আপনি সমর্থক হারাতে শুরু করবেন, তখন প্রথম স্তম্ভটিই সম্ভবত ভেঙে পড়েছে। একটি বড় দল হতে হলে আপনার পাশে সমর্থকদের থাকতে হবে, আবার সমর্থকদের ভালোবাসাও আসে দলের ভালো পারফরম্যান্স থেকে।'

তবে সব টেস্টে জয়ের প্রত্যাশা করা বাস্তবসম্মত নয় বলেও মনে করেন সাবেক এই অধিনায়ক। তার মতে, ফলাফল পক্ষে না এলেও মাঠে দলের লড়াই করার মানসিকতা স্পষ্ট থাকতে হবে।

'কেউই একটি দলের কাছে সব টেস্ট জয়ের প্রত্যাশা করে না, সেটি সম্ভবও নয়। কিন্তু অন্তত লড়াই, উপস্থিতি, শারীরিক ভাষা এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মানসিকতা দেখা উচিত।'

রমিজের সঙ্গে একমত সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুক ও মাইকেল ভনও। চলতি সিরিজে পাকিস্তানের সমর্থকদের উপস্থিতি আগের সফরগুলোর তুলনায় কমেছে বলে তারা উল্লেখ করেছেন। এমনকি খেলোয়াড়দের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়ার জন্যও আগের চেয়ে কম সমর্থক দেখা যাচ্ছে বলে মতামত দিয়েছেন তারা।

আরো পড়ুন: