প্রথম দিনের চা-বিরতির পর থেকেই মাঠে অনুপস্থিত ইমাম। বাঁহাতি ব্যাটারের বদলি হিসেবে ফিল্ডিং করছেন সালমান আলী আঘা। স্লিপে দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচও নিয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় দিন ব্যাটিংয়ের সুযোগ মেলে পাকিস্তানের। তবে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করতে পারেননি ইমাম। কনকাশন সাব না হওয়ায় বাঁহাতি ব্যাটারের বদলি হিসেবে নামতে পারেননি সালমান।
ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রথম ইনিংসে মাত্র ১১০ রানে থেমেছে পাকিস্তান। ক্রিকইনফো জানিয়েছে, চোটের পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় প্রথম দিনের খেলা শেষেই স্ক্যানের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, বাম পায়ে গ্রেড-১ চিড় ধরা পড়েছে। চোট থেকে সেরে ওঠার জন্য ইমামকে ১০ দিন বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ চতুর্থ দিন ইংল্যান্ড যদি অল আউটও হয় তবুও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে পারবেন না। প্রতিবেদন অনুযায়ী লর্ডস টেস্টের বাকি অংশে পাওয়া যাচ্ছে না পাকিস্তানি ওপেনারকে। দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর আগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও (পিসিবি) এক বিবৃতিতের মাধ্যমে জানায়, ইমামের খেলা নির্ভর করবে চিকিৎসা দেওয়ার পর কতটা দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন সেটার উপর।
তৃতীয় দিনের খেলা শেষে মোহাম্মদ আলীর কাছে ইমামের চোট সম্পর্কে জানতে চাইলে ডানহাতি এই পেসার বলেন, ‘আমি এ ব্যাপারে আপনাদের কিছু বলতে পারব না। তার অবস্থা সম্পর্কে আমি জানি। তবে এই বিষয়ে সবচেয়ে ভালো উত্তর দিতে পারবে দলের চিকিৎসক প্যানেল।’
প্রথম টেস্টে হেরে যাওয়ার পর দ্বিতীয় টেস্টেও সুবিধা করতে পারছে না পাকিস্তান। প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড ২৯০ রানের বিপরীতে পাকিস্তান অল আউট হয়েছে ১১০ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে এখনো পর্যন্ত ৭ উইকেট ১৭৭ রান করেছে স্বাগতিকরা। ফলে পাকিস্তানের চেয়ে ৩৫৭ রানে এগিয়ে আছে ইংল্যান্ড।