সম্প্রতি কন্ডিশনিং ক্যাম্পে অনুশীলনের সময় এই চোটে পড়েছিলেন রাবাদা। আশা করা হচ্ছিল ১০ সেপ্টেম্বর বোলান্ডের বিপক্ষে লায়ন্সের হয়ে চারদিনের ম্যাচ দিয়ে মাঠে ফিরতে পারেন তিনি। তবে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা গেছে রাবাদার চোট বেশ গুরুতর। ফলে মাঠে ফিরতে আরও অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাকে।
৯ অক্টোবর ডারবানে শুরু হবে সাউথ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়ার তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। দ্বিতীয় টেস্ট হবে জিকিউবেরহায় ১৮ অক্টোবর থেকে, আর ২৭ অক্টোবর কেপটাউনে শুরু হবে তৃতীয় টেস্ট। টেস্ট সিরিজের আগে ২৪ সেপ্টেম্বর ডারবানের কিংসমিডে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রাবাদার অনুপস্থিতি নিশ্চিতভাবেই প্রোটিয়াদের পেস বোলিং আক্রমণে বড় প্রভাব ফেলবে। তিনি গত বছর লর্ডসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে সাউথ আফ্রিকার জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ম্যাচটিতে ৯ উইকেট শিকার করেছিলেন রাবাদা, দুই ইনিংস মিলিয়ে খরচ করেছিলেন ১১০ রান।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রাবাদার রেকর্ডও দুর্দান্ত। ১১ টেস্টে নিয়েছেন ৫৮ উইকেট, গড় ২১.৩৯। রাবাদার পাশাপাশি সাউথ আফ্রিকার আরেক পেসার নান্দ্রে বার্গারের ফিটনেস নিয়েও শঙ্কা রয়েছে। পিঠের স্ট্রেস ফ্র্যাকচার থেকে এখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেননি তিনি। রাবাদার বিকল্প হিসেবে অজিদের বিপক্ষে দেখা যেতে পারে জেরাল্ড কোয়েতজিকে। পাশাপাশি বিবেচনায় থাকতে পারেন কিউনা মাফাকা ও করবিন বশ।