এই পেসারের আরও কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছে সাউথ আফ্রিকার ক্রিকেট বোর্ড। এরপর তার চোটের অবস্থা ও কবে মাঠে ফিরতে পারিবেন এই বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা পাওয়া যাবে। সামনেই সাউথ আফ্রিকার ব্যস্ত মৌসুম শুরু হতে চলেছে। এর আগে রাবাদার চোট নিশ্চিতভাবেই বড় ধাক্কা দলটির জন্য।
নামিবিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়ে শুরু হবে তাদের অভিযান। সিরিজের তৃতীয় দল জিম্বাবুয়ে। এরপর নামিবিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও খেলবে সাউথ আফ্রিকা। রাবাদার পাশাপাশি দলের বেশির ভাগ মূল পেসার এবং দুই অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা ও এইডেন মার্করামকেও সফরের দলে রাখা হয়নি।
ঠাসা সূচিতে খেলোয়াড়দের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা। সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে সাউথ আফ্রিকার ব্যস্ত সূচি আরও কঠিন হয়ে উঠবে। এরপর দুই দলের মধ্যে হবে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। এই সিরিজে রাবাদাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
এরপর নভেম্বরে বাংলাদেশ ও এরপর ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও টেস্ট সিরিজ রয়েছে সাউথ আফ্রিকার। এসব লাল বলের লড়াইয়েও রাবাদার ওপর বড় দায়িত্ব থাকবে। রাবাদার সর্বশেষ বড় চোট ছিল পাঁজরে। ২০২৫ সালের শেষ দিকে ভারতের বিপক্ষে সাউথ আফ্রিকার টেস্ট সিরিজে সেই চোটের কারণে তিনি খেলতে পারেননি।
রাবাদাকে ছাড়াই অবশ্য ভারতকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল সাউথ আফ্রিকা। সর্বশেষ ২০২৫ সালের অক্টোবরে রাওয়ালপিন্ডিতে টেস্ট খেলেছিলেন রাবাদা। পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হয়েছিল। এরপর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও আইপিএলে খেললেও মেজর লিগ ক্রিকেট ও দ্য হান্ড্রেডে খেলেননি তিনি।