ক্ষমতায় বসার পর থেকেই ক্রীড়াক্ষেত্রকে এগিয়ে নিতে নিবিড়ভাবে কাজ করছে সরকার। জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদদের সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায় আনতে ক্রীড়া ভাতাও প্রদান করছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা খেলার মাঠের অভাব। সেটা কাটিয়ে উঠতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে ২০১টি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়ামের কাজ চলমান রয়েছে। বেশ কিছু প্রকল্পের কাজ শেষও হয়েছে। যেগুলো বাকি আছে সেগুলোর জন্য জমি অধিগ্রণের চেষ্টা করছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পের অংশ হিসেবে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় গিয়েছিলেন আমিনুল। দক্ষিণ সুরমা স্টেডিয়ামের জন্য তিনটি সম্ভাব্য স্থানও পরিদর্শন করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
এ প্রসঙ্গে আমিনুল বলেন, ‘দক্ষিণ সুরমায় স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে তিনটি সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক স্থানটি নির্বাচন করা হবে। এমন স্থান নির্বাচন করা হবে, যেখানে দর্শকরা সহজে এসে গ্যালারিতে বসে খেলা উপভোগ করতে পারেন এবং খেলোয়াড়দের জন্যও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।’
প্রাথমিক অবস্থায় দক্ষিণ সুরমাতে একটি মিনি স্টেডিয়াম করার কথা ছিল। তবে সেই পরিকল্পনা বদলে পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম বানানোর কথা ভাবছেন তারা। অর্থাৎ সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের পর আরেকটি পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম পেতে যাচ্ছে সিলেট। স্টেডিয়ামটি বানাতে ৫ থেকে ৬ একর জমির প্রয়োজন হতে পারে। তবে সরকারের খরচ কমাতে সরকারি খাসজমি খুঁজছেন তারা।
আমিনুল বলেন, ‘দক্ষিণ সুরমায় শুধু একটি মিনি স্টেডিয়াম নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ ধরনের একটি পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য প্রায় পাঁচ থেকে ছয় একর জায়গার প্রয়োজন হবে। এ কারণে সরকারের ব্যয় কমানোর বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি, যেখানে সরকারি খাসজমি পাওয়া যাবে, সেখানে স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নিতে। এতে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় কমানো সম্ভব হবে।’