সাউথ আফ্রিকার স্পিন আক্রমণে বর্তমানে প্রতিযোগিতা বেশ তীব্র। বাঁহাতি স্পিনার কেশব মহারাজ, জর্জ লিন্ডে, বিয়র্ন ফোরটুইন ও সেনুরান মুথুস্বামির পাশাপাশি অফ স্পিনার প্রেনেলান সুব্রায়েনও আছেন লাইনআপে। এবার তাদের সঙ্গে প্রতিযোগীতা করেই জাতীয় দলে জায়গা পেতে চান হার্মার।
পারফরম্যান্স করেই জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়তে চান তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হার্মার বলেন, ‘আমার ভেতরের আগুন এখনো জ্বলছে, এটা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি। অবশ্যই পারফরম্যান্স দেখাতে হবে। কিন্তু সেই আগুন এখনো আছে। তাই আমাকে এখনই হিসাবের বাইরে রাখবেন না।’
বর্তমানে ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে এসেক্সের হয়ে খেলছেন হার্মার। সেখানে পারফর্ম করেই জাতীয় দলে ফিরতে স্বপ্ন দেখছেন হার্মার। তার বিশ্বাস, সাম্প্রতিক সময়ে সাউথ আফ্রিকা ক্রিকেটে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, সেটিই তাকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করছে। আপাতত নির্বাচকদের নজর কাড়তে চান তিনি।
হার্মার বলেন, ‘ধীরে ধীরে সাউথ আফ্রিকা ক্রিকেটও পারফরম্যান্স দিয়ে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিচ্ছে। বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ফাইনালে ওঠা, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা, এসব মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনছে। দলের বাইরে থেকে আবার ফিরে এসে এসব দেখেছি। তখন মনে হয়েছে, আমিও এর অংশ হতে চাই। এখন আমার পুরো মনোযোগ অক্টোবরের দিকে। নিজেকে প্রস্তুত রাখা এবং নির্বাচকদের সামনে নিজের দাবি জোরালো করাই লক্ষ্য।’
সাউথ আফ্রিকার প্রধান কোচ শুকরি কনরাডের প্রশংসাও করেছেন হার্মার। তার মতে, কনরাডের সরাসরি কথা বলার অভ্যাস এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহসই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। হার্মার যোগ করেন, ‘শুকসের সঙ্গে আমার অভিজ্ঞতা বলছে, আমরা অনেক দিক থেকেই একই রকম। আমরা দুজনই সততা আর সত্যকে মূল্য দিই। কোনো রাখঢাক বা ঘুরিয়ে কথা বলার মানুষ তিনি নন।’