১৪১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ধীরগতিতে শুরু করে নিউজিল্যান্ড। প্রথম নয় ওভারে আসে মাত্র ২৭ রান। এরপর হেনরি নিকোলস দুটি বাউন্ডারি মারলেও কিশোর বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার ভাইটেল লস তাকে বোল্ড করে ফিরিয়ে দেন। পরের ওভারেই মার্ক চ্যাপম্যানকেও এলবিডব্লিউ করেন তিনি।
তবে ড্যারিল মিচেল আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে চাপ কমানোর চেষ্টা করেন। ওপেনার উইল ইয়ংও কিছুটা এগোলেও লসের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন। পরে পিয়েরের বলে মিচেল আউট হলে কিছুটা চাপে পড়ে সফরকারীরা।
এরপর টম ল্যাথাম ও ডিন ফক্সক্রফট পঞ্চম উইকেটে দায়িত্বশীল জুটি গড়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন। দীর্ঘ সময় কোনো বাউন্ডারি না এলেও ধৈর্য ধরে খেলেন দুজন। শেষ পর্যন্ত ৬৩ বল হাতে রেখেই ছয় উইকেটের জয় তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরুতেই বড় ধাক্কা খায়। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে দ্রুত রান নিতে গিয়ে বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান ওপেনার জন ক্যাম্পবেল। স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে এবং আর ব্যাট করতে নামতে পারেননি।
অন্য প্রান্তে ২৬ রান করা আকিম অগাস্টেকে দারুণ এক ক্যাচে ফিরিয়ে দেন মিচেল স্যান্টনার। এরপর স্যান্টনার ও জেডেন লেনক্স স্পিন আক্রমণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান তোলার গতি পুরোপুরি আটকে দেন। লেনক্স বোল্ড করে ফেরান অধিনায়ক শাই হোপকে, আর শেরফেন রাদারফোর্ডও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ২০ ওভার শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ৭২ রান।
কিয়াসি কার্টি কয়েকটি বাউন্ডারিতে চাপ কমানোর চেষ্টা করেন। অন্যদিকে সদ্য দলে ফেরা শিমরন হেটমায়ার লেনক্সকে টানা দুই ছক্কা হাঁকিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তবে সেখানেই শেষ হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের লড়াই।
৩ উইকেটে ১২১ থেকে মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। মাইকেল ব্রেসওয়েল ৪৮ রান করা কার্টিকে এলবিডব্লিউ করার পর হেটমায়ারকেও ফিরিয়ে দেন ২৬ রানে। এরপর লেনক্স কিমো পল ও গুডাকেশ মোতিকে দ্রুত বিদায় করেন। শেষদিকে আলজারি জোসেফকে দুর্দান্ত এক বলে বোল্ড করার পর স্যান্টনার খারি পিয়েরেকে আউট করে ইনিংস গুটিয়ে দেন।