আইপিএলের এবারের আসরে অধিনায়কত্ব না করলেও এর আগে পাঁচ মৌসুম রাজস্থান রয়্যালসকে নেতৃত্ব দিয়েছেন স্যামসন। ২০২২ সালে তার অধীনেই রানার্সআপ হয়েছিল দলটি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও বর্তমানে ক্যারিয়ারের সেরা ছন্দে রয়েছেন ৩১ বছর বয়সী এই উইকেরক্ষক ব্যাটার। ভারতের শিরোপাজয়ী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযানে অঘোষিত কোয়ার্টারফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনালে মোট ২৭৫ রান করেন তিনি।
আইসিসি রিভিউ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাস্ত্রী বলেন, '২০২৮ সালের পরবর্তী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় ভারত হয়তো নতুন অধিনায়কের কথা ভাবতে পারে। আগামী দুই বছরে সূর্য কীভাবে এগোয়, সেটার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে।
তবে সাঞ্জু স্যামসন নিজেকে নেতৃত্বের আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
স্যামসনের অধিনায়কত্ব প্রসঙ্গে শাস্ত্রী আরও বলেন, 'অতীতে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে সে নেতৃত্ব দিয়েছে। ওপেনিংয়ে সে এখন দলের নিশ্চিত সদস্য এবং অত্যন্ত বিধ্বংসী ব্যাটার। আমার মনে হয়, আগামী দুই-তিন বছরে সাঞ্জুর আরও বড় কিছু দেখা যাবে। এটা কেবল শুরু।'
এর আগে জাতীয় দলে স্যামসনের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, এখন আর সেটিকে সমস্যা মনে করছেন না শাস্ত্রী। ভারতের সাবেক প্রধান কোচের কাছে বিশ্বকাপে দারুণ পারফর্ম করার পর চলমান আইপিএলেও স্যামসনকে অনেক পরিণত মনে হচ্ছে। তাই ভারতের হয়ে অধিনায়কত্বের মত বড় দায়িত্ব পালনে স্যামনকেই যোগ্য মনে হয় তার।
শাস্ত্রী বলেন, 'আমার মনে হয়, সাঞ্জু সব প্রশ্নেরই জবাব দিয়ে দিয়েছে। তার সামর্থ্য নিয়ে কখনোই সন্দেহ ছিল না। বরং মানুষ হতাশ হতো এই কারণে যে, সে নিজের প্রতিভার পুরোটা কাজে লাগাতে পারছিল না।'
এ প্রসঙ্গে শাস্ত্রী যোগ করেন, 'এ মৌসুমে সে যেভাবে খেলছে, বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যেভাবে প্রায় একাই ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ জিতিয়েছে সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে, সেমিফাইনাল ও ফাইনালে, তা অসাধারণ। আর এখন আইপিএলে যে পরিণত মানসিকতা সে দেখাচ্ছে, তাতে ভবিষ্যতের নেতৃত্বের জন্য তাকে আমি খুব শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবেই দেখি।'