পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ হবে যথাক্রমে ৩০ মে, ২ জুন ও ৪ জুন। অস্ট্রেলিয়া দলের খেলোয়াড়দের ২৩ মে ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা, যা আইপিএলের শেষ দিকের সূচির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। এবারের আইপিএল শেষ হবে ৩১ মে।
যদিও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আইপিএল শেষেই অজি ক্রিকেটারদের একাংশ পাকিস্তানে দলে সঙ্গে যোগ দেবেন। বর্তমানে আইপিএলে খেলা অস্ট্রেলিয়ানদের মধ্যে আছেন নিয়মিত ওয়ানডে অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। আইপিএলে খেলছেন সহ-অধিনায়ক মিচেল মার্শও।
তিনি বিভিন্ন সময়ে কামিন্সের বিকল্প হিসেবে অস্ট্রেলিয়া দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এর বাইরে আইপিএলে ব্যস্ত থাকা ক্রিকেটাররা হলেন, ট্রাভিস হেড, টিম ডেভিড, জশ হ্যাজলউড, জাভিয়ার বার্টলেট, কুপার কনলি, মার্কাস স্টয়নিস, জশ ইংলিস, ক্যামেরন গ্রিন, মিচেল স্টার্ক ও ম্যাথিউ শর্ট।
আইপিএলের লিগ পর্বের খেলা শেষ হবে ২৪ মে। ১০ দলের মধ্যে ৬টি দলই বিদায় নেবে এর মধ্যে। ফলে অনেক ক্রিকেটারই আইপিএল ছেড়ে নিজ নিজ দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন। তবে কামিন্স, হেড, ডেভিড, হ্যাজলউড, বার্টলেট ও কনলিদের মতো কয়েকজনকে থেকে যেতে হতে পারে, কারণ তাদের দলগুলো প্লে অফের দৌড়ে টিকে আছে এখনও পর্যন্ত।
এদিকে ক্রিকবাজকে আইপিএলের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুই দল সানরাইজার্স হায়দরবাদ ও পাঞ্জাব কিংস নিশ্চিত করেছে তাদের ক্রিকেটাররা পুরো মৌসুমই দলের সঙ্গে থাকবেন। তাদের সঙ্গে পুরো মৌসুমের চুক্তি আছে ফ্র্যাঞ্চাইজি দুটির। এমনটা হলে আইপিএলে থাকা ক্রিকেটারদের বাদ দিয়েই দল ঘোষণা করতে পারে অস্ট্রেলিয়া।
আসন্ন এই দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজটি হবে ২০২২ সালের মার্চ ও এপ্রিলের পর পাকিস্তানে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম সফর। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে পাকিস্তান সফর করেছিল অস্ট্রেলিয়া। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই সিরিজে স্বাগতিকরা ৩-০ ব্যবধানে জিতেছিল।