সাধারণত যে দল শিরোপা জেতে, তাদের ঘরের মাঠেই পরের আসরের শেষ চারটি ম্যাচ আয়োজন করা হয়। সেই হিসেবে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরুর মাঠেই এবারের ফাইনাল হওয়ার কথা। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে।
এই সমস্যার শুরু আইপিএল শুরুর আগে থেকেই। প্রথম ম্যাচের আগে কর্নাটকের এক বিধায়ক দাবি তোলেন, রাজ্যের সব বিধায়ককে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিশেষ টিকিট দিতে হবে। তারা সাধারণ দর্শকের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট নিতে পারবেন না বলেও মন্তব্য করা হয়। এই দাবিকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হয়।
পরে রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রত্যেক বিধায়ক ও সাংসদকে নির্দিষ্ট সংখ্যক টিকিট দেয়া হবে, যাতে তারা পরিবার নিয়ে খেলা দেখতে পারেন। কিন্তু এত বিপুল সংখ্যক টিকিট বরাদ্দ দিলে মাঠের বিশেষ আসন প্রায় পুরোপুরি তাদের দখলে চলে যাবে, যা মেনে নিতে রাজি নয় বিসিসিআই।
বিসিসিআইয়ের এক কর্তা ভারতের গণমাধ্যমকে বলেন, 'শেষ বারের চ্যাম্পিয়নেরাই সাধারণত ফাইনাল আয়োজনের দায়িত্ব পায়। কিন্তু এ ভাবে টিকিট দাবি করায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে গিয়েছে। সমাধান না হলে ফাইনাল সরিয়ে নিতে হতে পারে।'
বোর্ডের ভেতরের সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিকল্প হিসেবে পাঞ্জাবের মাঠে ফাইনাল আয়োজনের ভাবনা চলছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকায় সেই মাঠকে এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
গতবার বেঙ্গালুরুতে শিরোপা জয়ের কিছুদিন পর উদযাপনের অনুষ্ঠানের সময় ভিড়ের চাপে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছিল, যা মাঠের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। সব মিলিয়ে, এবার ফাইনাল কোথায় হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি এখনো।