টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেই চোটে ভুগছিলেন দুজনেই। তবে দল নির্বাচনের সময় বিষয়টি প্রকাশ্যে আসেনি। পরে দলের পারফরম্যান্স ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নির্বাচক আকিব জাভেদ প্রথম এ তথ্য সামনে আনেন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মিসবাহ উল হক, সরফরাজ আহমেদ ও আসাদ শফিক।
এ প্রসঙ্গে বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, 'বিশ্বকাপের পর যখন বাবরের পরীক্ষা করা হয়, তখন চোট অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। প্রথমে হালকা চোট ছিল। ফখরও একই রকম চোটে ভুগছে কয়েক মাস ধরে। ওদের চোটগুলো নতুন নয়। টানা খেলে যাওয়াতেই চোট গুরুতর হয়ে গিয়েছে।'
গত জানুয়ারিতে মেডিক্যাল প্যানেলের ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব নেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক চিকিৎসক জাভেদ মুঘল। বিশ্বকাপ শেষে খেলোয়াড়দের ফিটনেস পরীক্ষা করতে গিয়ে তিনি এই চোটের বিষয়টি শনাক্ত করেন। পরে পাকিস্তানের ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপ থেকে বাবরের সরে দাঁড়ানোয় সন্দেহ আরও বাড়ে।
তবে নির্বাচক কমিটির দাবি, দলের ফিজিও ক্লিফ ডিকনের রিপোর্টের ভিত্তিতেই বিশ্বকাপের দলে রাখা হয়েছিল দুই ক্রিকেটারকে। অতীতে ছোটখাটো চোটকে গুরুত্ব না দেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে, যা এই বিতর্ককে আরও জোরালো করেছে।
পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পিসিবি। জাতীয় দলের সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি, কেন বাবর ও ফখর নিজেদের চোটের কথা গোপন রেখেছিলেন, সেটিও জানার চেষ্টা চলছে।
বর্তমানে লাহৌরের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় আছেন বাবর। ধারণা করা হচ্ছে, পাকিস্তান সুপার লিগের আসন্ন আসরে খেলতে তার সমস্যা হবে না। অন্যদিকে, ফখর নিজেকে সম্পূর্ণ ফিট দাবি করেছেন এবং ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপেও অংশ নিচ্ছেন।