বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর নতুন লক্ষ্যের কথা জানালেন বাটলার

ইংল্যান্ড ক্রিকেট
জস বাটলার, ফাইল ফটো
জস বাটলার, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জস বাটলারের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ইংল্যান্ডের এই অভিজ্ঞ ব্যাটার এখনও জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো ইঙ্গিত দিচ্ছেন না। বরং দেশের হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

সাদা বলের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের অন্যতম সফল ব্যাটার হিসেবে বিবেচিত বাটলার এবারের বিশ্বকাপে ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। আট ইনিংসে ১০.৮৭ গড়ে মাত্র ৮৭ রান করেছেন তিনি। টানা পাঁচ ইনিংসে দুই অঙ্ক ছুঁতে ব্যর্থ হন তিনি। সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ইংল্যান্ড।

সম্প্রতি সময়টাও ভালো যাচ্ছে না বাটলারের। ইংল্যান্ডের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে শেষ ১৫ ইনিংসে কোনো হাফ সেঞ্চুরি নেই তার। সবশেষ চারটি আইসিসি টুর্নামেন্ট মিলিয়ে ২৭ ইনিংসে কেবল একবার পঞ্চাশ ছুঁতে পেরেছেন তিনি।

এ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাটলার বলেন, 'আমি তাই (ফর্মে ফেরার) আশা করি। জানি না (দলে জায়গা পাব কি না)। স্পষ্টতই টুর্নামেন্টটি আমার জন্য ভালো কাটেনি, যা হতাশাজনক। তবে গত কয়েক বছরে আমার ক্যারিয়ারের কিছু সেরা ক্রিকেটই খেলেছি। তাই আশা করি, আবার সেরা ফর্মে ফিরতে পারব।'

জাতীয় দলে নিজের জায়গা নিয়ে অনিশ্চয়তার কথাও স্বীকার করেছেন তিনি। একই সঙ্গে দলে নিয়মিত খেলার আশা ছাড়ছেন না। বাটলার বলেন, '(ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার) উচ্চাকাঙ্ক্ষা আমার অবশ্যই আছে, কিন্তু যেহেতু আমি আর অধিনায়ক নই, নির্বাচকও নই, তাই যা হওয়ার তাই হবে। দেখা যাক।'

ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে তার কেন্দ্রীয় চুক্তির মেয়াদ এখনও ১৮ মাস বাকি। আগামী জুলাইয়ে ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ও তিনটি ওয়ানডে ম্যাচের সিরিজে দলে থাকার আশাও করছেন ৩৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।

বিশ্বকাপ শেষে মানসিকভাবে নিজেকে সতেজ করতে কিছুটা সময় নিয়েছেন বাটলার। পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে ফ্রান্সের পাহাড়ি অঞ্চলে এক সপ্তাহ কাটিয়েছেন তিনি। ক্রিকেট থেকে দূরে থাকাটা তার জন্য প্রয়োজন ছিল বলেই জানিয়েছেন তিনি।

বাটলার বলেন, 'আমার ঠিক এটাই প্রয়োজন ছিল। অবশ্যই টুর্নামেন্টটি ব্যক্তিগতভাবে আমি যেভাবে চেয়েছিলাম সেভাবে এগোয়নি এবং আমার মনে হচ্ছিল, খেলাটি নিয়ে না ভাবার জন্য ক্রিকেট থেকে আমার কিছুটা দূরে থাকা দরকার। আর ওই সপ্তাহে ক্রিকেট থেকে এর চেয়ে বেশি দূরে আর থাকতে পারতাম না।'

আরো পড়ুন: