বাবর-ফখরের চোট, তদন্ত করার অনুরোধ নির্বাচকদের

পাকিস্তান ক্রিকেট
পাকিস্তানের নতুন ৪ নির্বাচক, ফাইল ফটো
পাকিস্তানের নতুন ৪ নির্বাচক, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দলে নেই পাকিস্তানের অভিজ্ঞ ব্যাটার বাবর আজম। বিষয়টি নিয়ে শুরুতে নানা আলোচনা হলেও পরে জানা গেছে, চোটের কারণেই এই সিরিজে খেলতে পারছেন না তিনি। যদিও বাবরের চোট নিয়ে সংশয় আছে পাকিস্তানের নতুন নির্বাচক কমিটির।

বাংলাদেশ সফরে পাকিস্তান দলে রাখা হয়েছে বেশ কয়েকজন তরুণ ক্রিকেটারকে। এই স্কোয়াডে বাবরের পাশাপাশি ইনজুরির কারণে নেই আরেক অভিজ্ঞ ব্যাটার ফখর জামান। এ ছাড়া দলে জায়গা হয়নি সাইম আইয়ুবের। ফলে কখনো ওয়ানডে না খেলা ছয় ক্রিকেটারকে নিয়ে এই সিরিজ খেলতে এসেছে পাকিস্তান।

সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে নির্বাচক কমিটির প্রধান আকিব জাভেদ বলেন, 'বাংলাদেশ সিরিজের দলে কিছু খেলোয়াড়কে রাখা হয়নি। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলে ফেরার পর বাবরের চোট পরীক্ষা করা হয়েছে। ওর যে চোট, তাতে এই সিরিজ এমনকি ঘরোয়া ন্যাশনাল টি–টোয়েন্টি কাপেও খেলতে পারবে না।'

আকিবের মতে, নির্বাচকদের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার নয় যে এই চোটগুলো কখন এবং কীভাবে হয়েছে। তিনি বলেন, 'বাবর খেলতে চেয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে সে খেলার জন্য ফিট নয়। ফখরও চোটে রয়েছে। আমরা বোর্ডকে অনুরোধ করেছি বিষয়টি তদন্ত করতে, কীভাবে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরই এই দুই খেলোয়াড়ের চোটের খবর সামনে এল।'

তিনি আরও বলেন, 'বিশ্বকাপের সময় কি তাদের ফিটনেসের যথাযথ যত্ন নেওয়া হয়েছিল? তারা কি পুরোপুরি ফিট না হয়েই স্কোয়াডে ছিল? নির্বাচক হিসেবে এসব বিষয় জানা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।'

এ ছাড়া তিনি জানান, বর্তমানে বাবর ও ফখরের পাশাপাশি সালমান মির্জাও চোটে ভুগছেন। আকিব বলেন, 'যেকোনো সময় যে কেউ চোটে পড়তে পারে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি হলো, বাবর আজম, ফখর জামান এবং সালমান মির্জা কেউই খেলার জন্য ফিট নয়।'

তবে এই চোটের সঙ্গে বাংলাদেশ সফরের দল নির্বাচনের সরাসরি সম্পর্ক নেই বলেও জানিয়েছেন আকিব। তার ভাষ্য, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশ সিরিজে তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ দেয়ার পরিকল্পনা করেছিল পিসিবির নির্বাচক কমিটি।

তিনি বলেন, 'টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের পর এই সিরিজের জন্য মাজ সাদাকাতসহ তরুণ খেলোয়াড়দের পাঠাব, এই সিদ্ধান্ত আমরা আগেই নিয়েছিলাম। বিশ্বকাপের আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, বাংলাদেশে পূর্ণ শক্তির দল পাঠাব না। আমরা জিম্বাবুয়ে সিরিজের (২০২৪ সালে) পর থেকে এটা করেছি।'

আরো পড়ুন: