টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক হলেও ওয়ানডে ক্রিকেটে পারফর্ম করতে পারছেন না লিটন। ২০২৪ সালের পুরোটা সময় অফ ফর্মে থাকায় গত বছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশ দলে জায়গা হয়নি তার। যদিও জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে ফেরানো হয় তাকে। তবে রান না পাওয়ায় একাদশ থেকে জায়গা হারান এক ম্যাচ পরই। গত বছরে জুলাইয়ের পর থেকে জাতীয় দলের হয়ে ওয়ানডে খেলা হয়নি লিটনের।
আফগানিস্তান এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সময় চোটে পড়েছিলেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে সবশেষ ১৪ ওয়ানডেতে হাফ সেঞ্চুরি নেই ডানহাতি ব্যাটারের। সবশেষ পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস খেলেছেন ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে। সবশেষ ৮ ইনিংসে দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি একবারও। ডাক মেরেছেন চারটি ইনিংসে। বিসিএলে যদিও একটি হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন। এমন পারফরম্যান্সের পরও তাকে ফেরানোয় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে।
লিটনকে ওয়ানডে দলে ফেরানোর ব্যাখ্যায় প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ বলেন, ‘লিটন দাসের সাম্প্রতিক ওয়ানডে ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে, তবে সে তার ব্যাটিং নিয়ে কোচদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। আমরা বিশ্বাস করি সে দ্রুতই এই ফরম্যাটে নিজের সেরা ছন্দে ফিরবে এবং মিডল অর্ডারকে শক্তিশালী করতে আমরা তাকে একটি বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছি।’
চোটের কারণে পাকিস্তান সিরিজে বিবেচনা করা হয়নি হাসান মাহমুদ ও তানজিম হাসান সাকিবকে। তবে বাজে ফর্মের কারণে বাদ পড়েছেন জাকের আলী অনিক, নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন পাটোয়ারি ও নাসুম আহমেদকে। দলে ফেরানো হয়েছে নাহিদ রানা, আফিফ হোসেন ও শরিফুল ইসলামকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে অভিষেক হওয়া মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন টিকে গেছেন।
দলের পরিবর্তন নিয়ে গাজী আশরাফ বলেন, ‘আমরা মিডল অর্ডারে বেশ কিছু খেলোয়াড়কে সুযোগ দিয়েছিলাম, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তাদের মধ্যে কয়েকজন নিজেদের জায়গা ধরে রাখার মতো পারফরম্যান্স করতে পারেনি। সেই ভাবনা থেকেই আফিফ হোসেনকে দলে ফেরানো হয়েছে। সে অভিজ্ঞ এবং বর্তমানে বেশ ভালো ফর্মে আছে। মাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়াকে দলে রাখা হয়েছে এবং তার সামনে এটি একটি বড় সুযোগ নিজের প্রতিভার প্রমাণ দেওয়ার।’