কলকাতায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ১৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন স্যামসন। ইনিংসের শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে থাকা এই ব্যাটার শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৫০ বলে ৯৭ রানে, মারেন ১২টি চার ও ৪টি ছক্কা। তার এমন ইনিংসে চার বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত।
তবে শেষ ধাক্কাটা আসে দুবের ব্যাট থেকে। সমীকরণ যখন ১০ বলে ১৭, তখন ক্রিজে গিয়ে প্রথম দুই বলেই বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। ওভারের শেষ বলে লেগ বাই থেকে আসে আরও দুই রান, যা ভারতের চাপ কমিয়ে দেয়।
ম্যাচ শেষে গম্ভীর বলেন, 'আমরা এখন প্রত্যেকের অবদান নিয়ে কথা বলছি। অনেক বছর ধরেই আমরা কেবল সুনির্দিষ্ট ধরনের অবদানের কথা তুলে ধরেছি। এটা দলীয় খেলা এবং সবসময় দলীয় খেলা হয়েই থাকবে।'
তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, 'আমার মতে, সাঞ্জু স্যামসনের ৯৭ রানের মতোই গুরুত্বপূর্ণ দুবের ওই দুটি বাউন্ডারি। কারণ, দুবে ওই বাউন্ডারি দুটি না মারতে পারলে সাঞ্জুর ৯৭ নিয়ে কেউ কথা বলত না। বড় অবদানগুলো শিরোনাম তৈরি করে, তবে ছোট অবদানগুলোই দলকে লক্ষ্য ছুঁতে সহায়তা করে।'
এই ম্যাচে আরেকটি কার্যকর ইনিংস এসেছে তিলক ভার্মার ব্যাট থেকে। পাঁচ নম্বরে নেমে ১৫ বলে ২৭ রান করেন তিনি। সম্প্রতি ব্যাটিং পজিশন বদলালেও মানিয়ে নেয়ার সক্ষমতা দেখিয়ে যাচ্ছেন নিয়মিত।
গম্ভীরের মতে, 'সে নিজের স্বাভাবিক পজিশনের বাইরে খেলছে এবং ভালো করছে। পজিশনের বিষয়টি অনেক সময় অতিরঞ্জিত হয়, যোগ্যতা থাকলে যে কোনো জায়গায় অবদান রাখা যায়।'