নিজ দেশের উইকেট বুঝতে পারেনি শ্রীলঙ্কা, স্বীকারোক্তি শানাকার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
দাসুন শানাকা, ফাইল ফটো
দাসুন শানাকা, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
শ্রীলঙ্কা দলের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গেল সুপার এইটেই। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬১ রানের হারে গত বুধবার নিশ্চিত হয়েছে লঙ্কানদের বিদায়। সেমিফাইনালের সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে এই ম্যাচে জয় ছাড়া উপায় ছিল না তাদের।

কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শুরুতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্বাগতিকদের হাতেই। টস জিতে বোলিং নিয়ে একসময় ৮৪ রানে ছয় উইকেট তুলে চাপে ফেলে দেয় কিউইদের। তবে সপ্তম উইকেটে মিচেল সান্টনার ও কোল ম্যাককনকির ৪৭ বলে ৮৪ রানের জুটিতে ঘুরে যায় ম্যাচ।

নিউজিল্যান্ড তোলে ১৬৮ রান, যা তাড়া করতে গিয়ে স্পিনের বিপক্ষে ভেঙে পড়ে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইন-আপ। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক দাসুন শানাকা স্বীকার করেছেন, সিদ্ধান্ত নেয়ায় ভুল ছিল তাদের।

'আগে বোলিংয়ের ব্যাপারটি সম্মিলিত সিদ্ধান্ত ছিল। আমরা ধারণা করতে পারিনি, বল এতটা টার্ন করবে পরে। যেহেতু নতুন পিচ, আমরা ভেবেছিলাম সময়ের সঙ্গে আরও থিতু হবে উইকেট।'

ঘরের মাঠে উইকেট পড়তে ভুল করার কথাও অকপটে বলেছেন শানাকা, 'টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই বলেছিলাম যে, উইকেটগুলো ব্যাটিং সহায়ক হবে বলে আশা করছি। শ্রীলঙ্কার সেরা ব্যাটাররা এখানে খেলছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে যাদের সামর্থ্য ও স্ট্রাইক রেট ভালো, তাদেরকে দলে নিয়েছি আমরা। জোর করে কাউকে আনা হয়নি। কিন্তু কখনও কখনও প্রত্যাশামতো কন্ডিশন আমরা পাই না ও অপ্রত্যাশিতভাবে ম্যাচ হেরে যাই। যা হয়েছে, তা নিয়ে আমরা খুবই হতাশ।'

শুধু এই ম্যাচেই নয়, আগের ম্যাচেও একই অভিজ্ঞতা হয়েছিল লঙ্কানদের। ইংল্যান্ডকে ১৪৬ রানে আটকে রেখেও ৯৫ রানে অলআউট হয় তারা। আবার গ্রুপ পর্বে এই প্রেমাদাসাতেই আগে ব্যাট করে ১৭৮ রান তুলেও হেরেছে শ্রীলঙ্কা। পুরো আসরজুড়েই প্রত্যাশা আর বাস্তবতার মধ্যে ফারাক দেখা গেছে তাদের পারফরম্যান্সে।

চোট সমস্যাও বড় প্রভাব ফেলেছে দলে। শানাকা বলেন, 'ফিটনেসের সঙ্গে কোনো আপস করা যাবে না। যে পরিমাণ চোট সমস্যা আমাদের আছে, এরপর ভালো ফল পাওয়া কঠিন। আমাদের জন্য ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা এত গুরুত্বপূর্ণ একজন ক্রিকেটার, এমনকি আমরা জানি মাথিশা পাথিরানাও দলের জন্য কতটা জরুরি… ইশান মালিঙ্গাও চোটের কারণে বাইরে।'

তিনি আরও বলেন, 'ফিটনেসের সমস্যাই চোট বয়ে আনে। কিছু ক্রিকেটার ফিটনেসের সমস্যার কারণে দলেই আসতে পারছে না। বেশ কটি বিশ্বকাপ ধরেই আমরা এসব বলে আসছি।'

আরো পড়ুন: