বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বি গ্রুপে ছিল শ্রীলঙ্কা। সেখান থেকে অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় করে সুপার এইটের টিকিট কাটে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে। তবে সুপার এইটে এসেই ধাক্কা খেয়েছে 'বি' গ্রুপের দুই দল। গ্রুপ দুইয়ে ২ ম্যাচ খেলে দুটিতেই হেরেছে বিশ্বকাপের সহ আয়োজকরা।
লঙ্কান দলের পারফরম্যান্স নিয়ে ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে মাহরুফ বলেন, 'আমি খুব সহজ করে বলছি, এটা কষ্টদায়ক, এটা বেদনাদায়ক, আর এটা লজ্জাজনক, কিন্তু যেভাবে কিছু ব্যাটার একেবারে উপহার দিয়ে তাদের উইকেট দিয়ে এসেছে, প্রায় প্রতিটি আউটই ছিল নরম আউট।'
ব্যাটসম্যানদের কাঠগড়ায় তুলে তিনি আরও বলেন, 'উইকেটগুলো যেন নিজেরাই তুলে দিয়েছে। ঠিক ইংল্যান্ড ম্যাচের মতো, যেখানে সব দশটি আউটই ছিল সফট ডিসমিসাল। একই ধারা আরেকটি ম্যাচেও চলতে থাকল, সেটাও আবার জিততেই হবে এমন ম্যাচে। এতে বোঝা যায়, ব্যাট হাতে শ্রীলঙ্কা মানের ধারেকাছেও ছিল না।'
মাহারুফের মতে, সমস্যাগুলো নতুন কিছু নয়। সাময়িক সমাধান নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সংশোধন দরকার। জবাবদিহিতার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'এটা প্রথমবার নয়। আমি শুধু আশা করি, সামনে কোথাও গিয়ে এই অবস্থার একটা শেষ হবে। কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।'
পরবর্তী সিরিজ শুরুর আগে শ্রীলঙ্কার নির্বাচক ও টিম ম্যানেজমেন্টকে খেলোয়াড়দের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে ভাবতে পরামর্শ দিয়েছেন মাহরুফ। তার মতে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স যাচাই করে দল নির্বাচন করা উচিত। এমনকি এজন্য কঠিন সিদ্ধান্ত না নিলে লঙ্কান দলের পরিণতি খারাপ হলে তিনি অবাক হবেন না।
মাহরুফ যোগ করেন, 'আমার মনে হয়, পরের ম্যাচের পর এবং পরবর্তী সিরিজ শুরুর আগে শ্রীলঙ্কার নির্বাচক ও টিমের থিংক ট্যাঙ্ককে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভালোভাবে ভাবতে হবে। খেলোয়াড়দের সক্ষমতা কী, কারা দলে থাকা উচিত আর কারা নয়, সেগুলো নির্ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। আমার প্রত্যাশা, হয়তো আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যদি তা না হয়, তাহলে আমি সত্যিই অবাক হব।'