কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে রান তাড়ায় ইনিংসের তৃতীয় বলেই ফিল সল্টকে হারায় ইংল্যান্ড। পরের ওভারে ফেরেন জস বাটলারও। দ্রুতই দুই উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে ইংল্যান্ড। তবে তৃতীয় উইকেটে জুটি গড়ে বিপদ সামাল দেন জ্যাকব বেথেল ও টম ব্যান্টন। তারা দুজনে মিলে ৬৬ রান যোগ করেন। বেথেল আউট হওয়ার পর ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি ব্রুক।
যদিও ব্যান্টনের হাফ সেঞ্চুরি, উইল জ্যাকস ও স্যাম কারানের ব্যাটে ৫ উইকেটের জয় পায় ইংলিশরা। স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেও নিজেদের পারফরম্যান্সে খুব বেশি খুশি নন ব্রুক। তিন ম্যাচের দুইটিতে জয় পেলেও এখনো সেরা ম্যাচটা খেলতে পারেনি ইংল্যান্ড। কারণ নেপালের বিপক্ষেও কষ্টার্জিত জয় পেতে হয়েছে তাদের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে তো জিততেই পারেনি। ইতালির বিপক্ষে সেরা ম্যাচটা খেলার আশায় ব্রুক।
ইংল্যান্ডের অধিনায়ক বলেন, ‘আমি স্রেফ খুশি যে আজকে আমরা উতরে যেতে পেরেছি। এখনও পর্যন্ত ‘পারফেক্ট’ ম্যাচটি খেলতে পারিনি আমরা। কিছুটা জড়তা ও অস্বস্তি আছে এখনও। আশা করি, ইতালির বিপক্ষে ম্যাচটি সহজ হবে এবং সেরা খেলাটা আমরা খেলতে পারব, যেভাবে সবাই আমাদেরকে চেনে ও দেখতে ভালোবাসে। আশা করি দেশে কিছু মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারব ও গ্রুপ পর্যায় পার হতে পারব।’
বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে দারুণ ছন্দে ছিল ইংল্যান্ড। কদিন আগে শ্রীলঙ্কাকে তাদের মাঠেই হোয়াইটওয়াশ করেছে তারা। সল্ট, বাটলার, বেথেল, ব্রুক, জ্যাকসের মতো ক্রিকেটার থাকলেও এখনো কেন নিজেদের সেরাটা খেলতে পারছেন না সেটা জানেন না ব্রুক। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক আবারও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ইতালির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই তাদের উত্থানের শুরুটা হবে।
ব্রুক বলেন, ‘সত্যি বলতে, নিজেও নিশ্চিত নই। তবে এখনও পর্যন্ত নিজেদের শক্তির জায়গাটা মেলে ধরতে পারিনি আমরা। আশা করি, সেটা করতে পারব। অবশ্যই অতি দ্রুত চূড়ায় উঠতে চাই না আমরা, তবে অবশ্যই গ্রুপ পর্যায় ভালোভাবে পার হতে চাই, এরপর দেখব। আশা করি, ইতালির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই আমাদের উত্থানের শুরু হবে।’