প্রায় ৩ মাস মাস পর সেই ঘটনা স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জয় পাওয়ার পর এক বিবৃতিতে ব্রুক জানান, ওই রাতে তিনি একা ছিলেন—এমন দাবি ছিল মিথ্যা। সতীর্থদের নাম যেন ঘটনায় জড়িয়ে না পড়ে এবং তাদের রক্ষা করতেই তিনি তখন পুরো সত্য বলেননি বলে স্বীকার করেছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, ঘটনার সময় ব্রুকের সঙ্গে ইংল্যান্ড দলের ব্যাটসম্যান জ্যাকব বেথেল ও পেসার জশ টাংও উপস্থিত ছিলেন। এই তিনজনই বর্তমানে তদন্তের আওতায় রয়েছেন। এই খবর প্রকাশের পরই নিজের আগের বক্তব্য থেকে সরে আসেন ব্রুক।
নিজের দোষ অকপটে স্বীকার করে ব্রুক বলেন, ‘ওয়েলিংটনে আমার কর্মকাণ্ডের সম্পূর্ণ দায় আমি নিচ্ছি এবং স্বীকার করছি যে সেদিন সন্ধ্যায় সেখানে অন্যরাও উপস্থিত ছিলেন। আমার আগের মন্তব্যের জন্য আমি অনুতপ্ত। আমার উদ্দেশ্য ছিল, আমার সিদ্ধান্তের কারণে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে যেন আমার সতীর্থরা জড়িয়ে না পড়েন এবং তাদের সুরক্ষা করা যায়।’
ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হিসেবে মাঠের বাইরের আচরণ ও দায়বদ্ধতা নিয়ে তার আরও শেখার আছে বলেও মনে করেন ব্রুক। নেতৃত্ব মানে কেবল মাঠের পারফরম্যান্স নয়, মাঠের বাইরের দায়িত্বও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ব্রুকের কথায় আস্থা রেখে ইংল্যান্ড দলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রব কি জানিয়েছিলেন এই ঘটনায় কোনো ব্যবস্থা নেননি তারা।
তার সেই সিদ্ধান্তও এবার প্রশ্নের মুখে পড়ে গেছে। কলম্বোতে সিরিজ শুরুর আগে ব্রুক বলেছিলেন, তিনি ‘খেলোয়াড়দের আস্থা পুনরুদ্ধার’ করতে চান। তখনো তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন, ওয়েলিংটনের ঘটনায় তিনি একাই ছিলেন। ব্রুক এই ঘটনায় এবার দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমি ক্ষমা প্রার্থনা করেছি এবং বিষয়টি আমাকে ভাবাবে। এটি আমার ক্যারিয়ারের একটি চ্যালেঞ্জিং সময়। এখান থেকে আমি শিখছি। নেতৃত্ব ও অধিনায়কত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত মাঠের বাইরের দায়িত্ব সম্পর্কে আমার আরও শেখার প্রয়োজন আছে। ব্যক্তি ও পেশাগত—দুই দিক থেকেই নিজেকে উন্নত করার ব্যাপারে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’