ভারত-পাকিস্তান কী হাত মেলাবে? যা বলছেন সালমান আঘা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
টসের সময় হাত মেলাচ্ছেন না ভারত-পাকিস্তানের অধিনায়ক। এমনকি ম্যাচেও দুই দলের ক্রিকেটাররা একে অপরের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন না। গত বছরের পেহেলগামের ঘটনার এমন চিত্র কয়েকবারই দেখা গেছে ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচে। তবে সালমান আলী আঘা মনে করেন, ক্রিকেট চেতনার মধ্যে থেকেই ক্রিকেট খেলা উচিত। পরবর্তী ম্যাচে দুই দলের ক্রিকেটাররা হ্যান্ডশেক করবেন কিনা সেটা ভারতের উপর ছেড়ে দিচ্ছেন পাকিস্তান অধিনায়ক।

গত বছর পেহেলগামের ঘটনার জেরে সামরিক যুদ্ধে জড়ায় ভারত ও পাকিস্তান। যদিও কয়েকদিন পরই যুদ্ধ বিরতি দেয় দুই দেশ। তবে সেটার রেশ এখনো রয়েছে গেছে। ক্রিকেট মাঠেও সেটার প্রভাব পড়েছে ব্যাপকভাবে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপে মুখোমুখি হলেও টসের সময় হাত মেলাননি সূর্যকুমার যাদব ও সালমান। এমনকি ম্যাচ শেষেও হাত মেলাননি তারা।

যদিও ভারতের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলানোর জন্য অপেক্ষা করছিলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। সেই ঘটনার পর থেকে দুই দলের খেলায় হ্যান্ডশেক না করা রীতি হয়ে গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে হওয়া সেই টুর্নামেন্টের সুপার ফোর ও ফাইনালেও একে অপরের সঙ্গে হাত মেলাননি ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। ছেলেদের মতো মেয়েদের ক্রিকেটেও একই চিত্র দেখা যায়।

গত নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে হারমানপ্রীত কৌর, ফাতিমা সানারা হ্যান্ডশেক করেননি। গত বছর ছেলেদের এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সেও হাত মেলানো থেকে বিরত ছিলেন না দুই দেশের ক্রিকেটাররা। তবে আইসিসির চাওয়া ছিল যুব ক্রিকেটে যেন এমন কিছু না ঘটে। এজন্য গত যুব বিশ্বকাপে ভারতের ক্রিকেটারদের হাত মেলানোর আহ্বান জানায় ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আইসিসির ডাকে সাড়া না দিয়ে হাত মেলানো থেকে বিরত ছিলেন আয়ুশ মাত্রে ও ইউসুফরা। ১৫ ফেব্রুয়ারি আবারও মাঠে নামছে-ভারত পাকিস্তান। সেই ম্যাচে ক্রিকেটাররা হাত মেলাবেন কিনা এমন প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হয় সালমানকে। পাকিস্তানের অধিনায়ক মনে করেন, ক্রিকেটের চেতনার মধ্যে থেকেই ক্রিকেট খেলা উচিত।

ভারত ম্যাচের আগে সালমান বলেন, ‘খেলাটি একই স্পিরিট নিয়ে খেলা উচিত। আমি কী প্রত্যাশা করি, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে আমার মনে হয়, ক্রিকেটের শুরু থেকে যেভাবে খেলা হয়ে আসছে, সেভাবেই এটি খেলা উচিত। বাকিটা তাদের ওপর এবং তারা যা করতে চায়, তার ওপর নির্ভর করছে।’

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইসিসি কিংবা এসিসির টুর্নামেন্টের ভারতের সঙ্গে পাত্তা পাচ্ছে না পাকিস্তান। কাগজে-কলমে, শক্তি-সামর্থ্যেও আগামী ম্যাচে এগিয়ে থাকবে ভারত। অতীত ইতিহাস মেনে নিলেও ভারতকে হারাতে প্রত্যয়ী পাকিস্তান। চলতি বিশ্বকাপে দুই দলই দুইটি করে ম্যাচ জিতেছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে যারা জিতবে তারাই সবার আগে সুপার এইটের টিকিট পাবে।

আরো পড়ুন: