চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে হচ্ছে দ্রাবিড়-কুম্বলের নামে স্ট্যান্ড

ভারতীয় ক্রিকেট
অনীল কুম্বলে ও রাহুল দ্রাবিড়
অনীল কুম্বলে ও রাহুল দ্রাবিড়
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বেঙ্গালুরুর ঐতিহ্যবাহী এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে এবার যোগ হচ্ছে রাহুল দ্রাবিড়, অনিল কুম্বলে ও শান্তা রঙ্গস্বামীর নাম। তাদের নামে তিনটি স্টেডিয়ামের নামকরণ করা হচ্ছে। শনিবার একটি অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেয় কর্ণাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (কেএসসিএ)।

ভারতের টেস্ট ও ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি কুম্বলে। টেস্ট ক্যারিয়ারে তিনি ৬১৯টি উইকেট নিয়েছেন, ওয়ানডেতে শিকার ৩৩৭টি উইকেট। অন্যদিকে দ্রাবিড় টেস্টে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক। ১৬৪ টেস্টে ১৩ হাজার ২৮৮ রান করেছেন তিনি। ওয়ানডেতেও ৩৪৪ ম্যাচে করেছেন ১০ হাজার ৮৮৯ রান।

চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আবেগঘন বক্তব্য দেন দ্রাবিড়। চিন্নাস্বামীকে তিনি নিজের ‘দ্বিতীয় বাড়ি’ বলে উল্লেখ করেন। ভারতের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘এখানে আমরা হয়তো নিজেদের বাড়ির চেয়েও বেশি সময় কাটিয়েছি। সুখের মুহূর্ত যেমন আছে, তেমনি আছে হতাশাও। কিন্তু এই মাঠই আমাকে আজকের আমি করে তুলেছে।’

দ্রাবিড় আরও যোগ করেন, ‘আমার নামে একটি স্ট্যান্ডের নামকরণ করা হচ্ছে। এটি আমার ও আমার পরিবারের জন্য গর্বের। আমার বাবা খেলাটা খুব ভালোবাসতেন। তিনিই আমার মধ্যে ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা তৈরি করেছিলেন। সুযোগ পেলেই আমাকে এখানে ম্যাচ দেখতে নিয়ে আসতেন। শুধু টেস্ট নয়, রঞ্জি ট্রফির খেলাও। আজ তিনি বেঁচে থাকলে খুব গর্ব করতেন।’

নারী ক্রিকেটে শান্তা রঙ্গস্বামীর অবদানও স্মরণীয়। ১৯৭৬ সালে তিনিই ছিলেন ভারত নারী দলের প্রথম অধিনায়ক। তার নেতৃত্বেই প্রথম টেস্ট সিরিজ জেতে ভারত। নারী ক্রিকেটে ভারতের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিটিও তার ব্যাট থেকে এসেছে। বিসিসিআইয়ের আজীবন সম্মাননা পাওয়া প্রথম নারীও তিনি।

এই নারী ক্রিকেটারের অবদান স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘শান্তা রঙ্গস্বামীর মতো একজনের সঙ্গে এই সম্মান ভাগ করে নিতে পারা আমার জন্য গর্বের। যখন এই দেশে মেয়েদের জন্য খেলাধুলা করা খুব কঠিন ছিল, তখন তাঁরাই পথ দেখিয়েছেন। আজ নারী ক্রীড়ার যে অগ্রগতি আমরা দেখছি, তার পেছনে এমন পথিকৃৎদের অবদানই সবচেয়ে বড়।’

আরো পড়ুন: