আরব আমিরাতকে একাই ম্যাচ জেতালেন শর্মা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
হাফ সেঞ্চুরির পর শর্মার উদযাপন
হাফ সেঞ্চুরির পর শর্মার উদযাপন
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
নয়াদিল্লিতে বল হাতে গতির ঝড় তুললেন জুনায়েদ সিদ্দিকী। তার তোপে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি না কানাডা। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫০ রানেই থেমে গেছে উত্তর আমেরিকার দলটি। এই লক্ষ্য ২ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখেই পেরিয়ে গেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দলটির জয়ে বড় অবদান ওপেনার আরিয়ান্স শর্মার। তিনি খেলেছেন ৫৩ বলে ৭৪ রানের অপরাজিত ইনিংস।

মাঝারি লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১২ রানেই তারা হারায় অধিনায়ক মোহাম্মদ ওয়াসিমকে। তিনি ৪ রান করেই ফেরেন। এরপর বড় রান করতে পারেননি আলিশান শারাফু ও মায়াঙ্ক কুমার। যথাক্রমে ৫ ও ৪ রান করে আউট হয়েছেন দুজনে। টিকতে পারেননি হার্শিত কৌশিকও। তিনিও আউট হয়ে যান ৫ রান করে।

একপ্রান্ত আগলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে আরব আমিরাতের জয়ের পথ সহজ করে দেন ওপেনার শর্মা। তাকে কেউ সঙ্গ দিতে না পারলেও একাই কাঁধে দায়িত্ব নিয়ে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন এই ওপেনার। কানাডার হয়ে একাই ৩টি উইকেট নেন সাদ বিন জাফর। আর একটি করে উইকেট নেন কালিম সানা ও জাসকারান সিং।

এর আগে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কানাডার অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়া। কিন্তু শুরুটা ছিল হতাশাজনক। ইনিংসের প্রথম দিকেই বাজওয়া ও যুবরাজ সামরাকে ফিরিয়ে দেন জুনায়েদ সিদ্দিকী। পাওয়ার প্লের ভেতরেই ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে কানাডা।

সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন নবনীত ধালিওয়াল ও হার্শ ঠাকর। চতুর্থ উইকেটে তাদের ৫৮ রানের জুটি কিছুটা স্বস্তি দেয় দলকে। হার্শ ঠাকর খেলেন দলের সর্বোচ্চ ৫১ রানের ইনিংস—৪০ বলে ৩টি ছক্কা ও ২টি চার। নবনীত করেন ৩৪ রান, শ্রেয়াস মোভভা যোগ করেন ২১।

যদিও মাঝের ওভারে আবারও আঘাত হানেন জুনায়েদ। ফলে শেষ পর্যন্ত দেড়শ রানের পুঁজি নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় কানাডাকে। এদিন জুনায়েদের গতির সঙ্গে ছিল নিখুঁত লাইন-লেন্থ। ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে নেন ৫ উইকেট। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কোনো বোলারের এটিই প্রথম পাঁচ উইকেট শিকারের কীর্তি।

আরো পড়ুন: