অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ‘প্রথম অঘটন’ জিম্বাবুয়ের

জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট
জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
জশ ইংলিস, ট্রাভিস হেড, ক্যামেরন গ্রিন ও টিম ডেভিডকে পেস আগুনে পুড়িয়ে জিম্বাবুয়েকে দুর্দান্ত শুরু এনে দিলেন ব্লেসিং মুজারাবানি ও ব্রাড ইভান্স। ২৯ রানে ৪ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়াকে টেনে তোলার চেষ্টা করলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ম্যাট রেনশ। আশা জাগলেও অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ জেতাতে পারেননি তাদের দুজনের কেউই। ইনিংসের শুরুতেই অস্ট্রেলিয়াকে চমকে দেওয়া মুজারাবানি ও ইভান মিলে নিয়েছেন ৭ উইকেট।

তাদের দুজনের ওমন বোলিংয়েই অস্ট্রেলিয়াকে ১৪৬ রানে আটকে দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ২৩ রানের জয়ে চলতি বিশ্বকাপে প্রথম অঘটনের জন্ম দিয়েছে সিকান্দার রাজার দল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মতো অস্ট্রেলিয়াকে হারাল জিম্বাবুয়ে। সবশেষ ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অজিদের চমকে দিয়েছিল তারা। এখনো পর্যন্ত দুই ম্যাচের দুইটিতে জিতে ‍সুপার এইটে যাওয়ার লড়াইয়ে এগিয়ে গেল জিম্বাবুয়ে।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা ভালো করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফেরেন ইংলিস। মুজারাবানির শর্ট ডেলিভারিতে পুল করার চেষ্টায় স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। তৃতীয় ওভারে গ্রিনের উইকেট নিয়েছেন ইভান্স। ডানহাতি পেসারের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ আউট হয়েছেন রানের খাতা খোলার আগেই।

নিজের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে চোট কাটিয়ে ফেরা টিম ডেভিডকে বিদায় করেছেন মুজারাবানি। পাওয়ার প্লে শেষের আগে হেডকে ড্রেসিং রুমে ফেরান ইভান্স। মাত্র ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে অজিরা। তবে ম্যাক্সওয়েল ও রেনশ মিলে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন। তারা দুজনে মিলে ৭৭ রানের জুটি গড়েন। ম্যাচ জিততে শেষ হলে ৬ ওভারে ৬৫ রান করতে হতো অস্ট্রেলিয়াকে।

এমন সময় নিজের উইকেট দিয়ে যান ম্যাক্সওয়েল। লেগ স্পিনার রায়ান বার্লের বলে স্লগ করতে গিয়ে ইনসাইড এজে বোল্ড হয়েছেন ৩২ বলে ৩১ রান করে। একটু পর অবশ্য ৩৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন রেনশ। বাঁহাতি ব্যাটারকে অবশ্য ৪৪ বলে ৬৫ রানের ইনিংস খেলে থামতে হয়। মার্কাস স্টইনিস, বেন ডোয়ারশিসরা সুবিধা করতে না পারায় ১৪৬ রানে অল আউট হয় অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবুয়ের হয়ে মুজারাবানি চারটি ও ইভান্স নিয়েছেন তিনটি উইকেট।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৬১ রান যোগ করেন তাডিওয়ানাশে মারুমানি ও ব্রায়ান বেনেট। ২১ বলে ৩৫ রান করা মারুমানি ফিরলে ভাঙে তাদের জুটি। এরপর ৩০ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলেছেন বার্ল। অধিনায়ক রাজা শেষের দিকে ১৩ বলে ২৫ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন। সাবধানী ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৬ বলে অপরাজিত ৬৪ রান করেছেন বেনেট।

আরো পড়ুন: