ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজ চান ভন

ভারত-পাকিস্তান সিরিজ
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ভবিষ্যতে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজনে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। স্বাগতিক হতে রাজি ইংল্যান্ডও। আলোচনা অনেক দূর এগোলেও শেষ পর্যন্ত কোনটিই সফলতার মুখ দেখেনি। তবে আবারও ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজনের আলোচনা তুললেন মাইকেল ভন। ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মনে করেন, ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজের জন্য দারুণ জায়গা হতে পারে যুক্তরাজ্য।

দুই দেশের রাজনৈতিক বৈরিতার জন্য এক যুগের বেশি সময় ধরে বন্ধ আছে ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মাঠের লড়াই দেখতে তাকিয়ে থাকতে হয় আইসিসি কিংবা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) টুর্নামেন্টের দিকে। ভারত-পাকিস্তানের সবশেষ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয়েছে ২০১৩ সালে। ওয়ানড এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে সেবার ভারত সফর করেছিল পাকিস্তান।

টেস্ট সিরিজ হয়েছে প্রায় দুই দশক আগে। ২০০৭ সালে টেস্ট সিরিজ খেলতে পাকিস্তানই গিয়েছিল ভারতে। গত দুই দশকের মধ্যে সাদা বলের ক্রিকেট খেলতে ২০০৮ সালে পাকিস্তান সফর করেছিল ভারত। এর আগে ২০০৬ সালে পাকিস্তানে গিয়ে টেস্ট সিরিজ খেলেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা। কয়েক বছরের জন্য কয়েকটি সিরিজের চুক্তি হলেও সেগুলো আর মাঠে গড়ায়নি। আইসিসির টুর্নামেন্টের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ দেখতে মুখিয়ে আছেন ভন।

যুক্তরাজ্যে ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ চান ইংল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার। ভন বলেন, ‘এটা প্রতিযোগিতাটি ও ক্রিকেটের জন্য দারুণ সিদ্ধান্ত। যেভাবে হোক শিগগিরই তাদের মধ্যে একটি টেস্ট সিরিজ খেলার ব্যবস্থা করতে হবে… তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য যুক্তরাজ্য হতে পারে দারুণ জায়গায়।’

বিশ্বকাপ খেললেও বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জন করে পাকিস্তান। যদিও বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও আইসিসির অনুরোধে সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেছে দেশটির সরকার। যার ফলে ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান। শহীদ আফ্রিদি মনে করেন, পাকিস্তানের এমন সিদ্ধান্তে ক্রিকেটীয় চেতনা জয়ী হয়েছে।

আফ্রিদি বলেন, ‘ক্রিকেটীয় চেতনা জয়ী হয়েছে। অংশগ্রহণের (ভারত ম্যাচ খেলার) সিদ্ধান্ত নিয়ে পাকিস্তান সরকার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পবিত্রতা রক্ষা করেছে এবং বিশ্বব্যাপী খেলাটির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেছে। ক্রিকেট জিতেছে-যার মানে বিস্তৃত বিভাজন দূর করতে এটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাবে।’

আরো পড়ুন: