বিগ ব্যাশের অপারেশন্স ও ক্লাব গ্রোথের প্রধান ফিল রিগবি জানিয়েছেন এই ম্যাচটি সফলভাবে আয়োজনের পর ভবিষ্যতে আরও বেশি ম্যাচ আয়োজন করতে চায় তারা। সেই সম্ভাবনার কথাই খোলাসা করেছেন বিগ ব্যাশের এই কর্মকর্তা। এই ব্যাপারে তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ও বিসিসিআইয়ের সঙ্গে এই ব্যাপারে আলোচনা চলবে বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি।
রিগবি বলেন, ‘আমার মনে হয় না এটা শুধু একবারের আয়োজন। আগে আমাদের প্রথম ম্যাচটি সফলভাবে আয়োজন করতে হবে। এরপর ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবব। তবে আমরা অবশ্যই ভবিষ্যতে এটি চালিয়ে যেতে চাই। টিএনসিএ ও বিসিসিআইয়ের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা চলবে।’
১২ ডিসেম্বর চেন্নাইয়ে মুখোমুখি হবে মেলবোর্ন রেনেগেডস ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পার্থ স্কর্চার্স।। এই ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে এবারের বিগ ব্যাশ মৌসুম। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এবারই প্রথম অস্ট্রেলিয়ার বাইরে কোনো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। শুরুতে এই ম্যাচটি আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছিল বিসিসিআই। এরপর তাদের এই প্রস্তাবকে বাস্তবে রূপ দেয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।
বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে আইপিএল। এরপর নাম আসে বিগ ব্যাশের। তবে দুই টুর্নামেন্টের মধ্যে কোনো প্রতিযোগীতা দেখছেন না রিগবি। তারা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ও বিসিসিআইয়ের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে কাজ করছেন বলেই জানিয়েছেন বিগ ব্যাশের এই কর্মকর্তা।
রিগবি বলেন, ‘এটা শুধু একটি বিগ ব্যাশ ম্যাচ নিয়ে আলোচনা নয়। পুরো বিষয়টি শুরু হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের সম্পর্ক কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়, সেই বৃহত্তর আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ থেকে। আর এর জন্য ক্রিকেটের চেয়ে ভালো মাধ্যম আর কী হতে পারে? ক্রিকেট ভারতের খেলা, অস্ট্রেলিয়ারও খেলা। তাই এই আলোচনার যৌক্তিক শুরুটা ক্রিকেট দিয়েই।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিসিসিআইয়ের কাছ থেকে আমরা যে সহযোগিতা পেয়েছি, তা নিয়ে আমি শুধু ইতিবাচক কথাই বলতে পারি। আমরা এখানে আইপিএলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে আসছি না। আমার পর্যবেক্ষণ ও এখানকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ থেকে মনে হয়েছে, ভারতীয় ও অস্ট্রেলীয়দের মধ্যে বিশেষ একটি সম্পর্ক রয়েছে। আমরা চেন্নাইয়ে বিগ ব্যাশের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে এসেছি, যা আইপিএল বা অন্য টি-টোয়েন্টি লিগগুলোর চেয়ে আলাদা।’