বিপিএলের প্রতি মৌসুমেই টুর্নামেন্টের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক সমস্যা, আয়োজনের অব্যবস্থাপনা, নিম্ন মানের বিদেশি ক্রিকেটারের সঙ্গে স্পটফিক্সিংয়ের সন্দেহ। পাশাপাশি টুর্নামেন্টের গত কয়েক আসরে নিয়মিতই লোকসান করেছে বিসিবি। অন্যান্য দেশ যখন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আয়োজন করে টাকা আয় করছে বিসিবি সেখানে উল্টো পথে হাঁটছে।
এজন্য ২০২৭ সালে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটি বন্ধ রেখে নতুন মডেল দাঁড় করাতে চায় তারা। বিসিবি কেন আগামী বছর বিপিএল আয়োজন করবে না এবং ভবিষ্যত মডেল কেমন হবে সেসব নিয়ে ২৯ আগষ্ট রংপুর রাইডার্স, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও ঢাকা ক্যাপিটালসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তামিম। পাশাপাশি কোয়াবের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন তারা। বিসিবির এমন সিদ্ধান্ত মেনেও নিয়েছেন ক্রিকেটাররা।
দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটাররা যাতে আর্থিকভাবে খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্থ না হন এজন্য ঘরোয়া টুর্নামেন্ট ক্রিকেটে ম্যাচ ফি বাড়িয়েছে বিসিবি। তবে বিপিএল না হওয়ার বিষয়টি জানতেন না আমিনুল। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তো আপনার কাছ থেকেই মাত্র শুনলাম (বিপিএল হবে না) তারা খেলবে না।’
২০১২ সালে বিপিএল শুরু হলেও ফিক্সিং কাণ্ডের জন্য ২০১৪ সালে টুর্নামেন্টটি আয়োজন করেনি বিসিবি। পরবর্তীতে করোনা মহামারীর কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালেও বিপিএল করতে পারেনি দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সংস্কারের উদ্দেশ্যে ২০২৭ সালেও টুর্নামেন্টটি স্থগিত রাখা হচ্ছে। তবে আমিনুল মনে করেন, এমন জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট প্রতি বছর হওয়া উচিত।
তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় বিপিএল যেহেতু অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি টুর্নামেন্ট আমাদের বাংলাদেশের জন্য। আপনি বলছেন বোর্ড সভাপতি কিছু যৌক্তিক কারণ তুলে ধরেছেন আপনাদের সামনে। আমার কাছে মনে হয় এই ধরনের টুর্নামেন্টগুলো প্রতি বছর হওয়া উচিত। সুতরাং এটা কেন হয়নি তা নিয়ে কথা বলার প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের খেলাগুলো ধারাবাহিকভাবে হয় সেই জায়গাগুলো আমরা অবশ্যই নজরদারিতে রাখব।’