আগামী ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রাম নিয়ে সভা হবে। ২০২৭ থেকে ২০৩১ সালের সূচির রূপরেখা তৈরির এই আয়োজনে আইসিসির পূর্ণ ও সহযোগী সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরা থাকবেন। সেখানেই নিজেদের প্রস্তাব তুলে ধরবে ভারত।
সাইকিয়া বলেন, 'পরের ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রামে আমরা চেষ্টা করব যাতে ক্রিকেটারেরা যথাযথ বিশ্রাম পায়, পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে এবং বড় দেশগুলোর বিরুদ্ধে সিরিজের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে পারে।'
বিশেষ করে সাউথ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের আগে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ চায় ভারত। ২০২৮ সালের শুরুতে ভারতে আসতে পারে ইংল্যান্ড। একই বছরের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়া সফরে যেতে পারে ভারত। ২০২৯ সালে ইংল্যান্ড সফর এবং ২০৩১ সালে অস্ট্রেলিয়ার ভারত সফরও সূচিতে রয়েছে।
এর পাশাপাশি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজও খেলতে হতে পারে ভারতকে। এই ব্যস্ত সূচির সঙ্গে থাকছে একাধিক আইসিসি প্রতিযোগিতা। ২০২৮ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৯ সালে ভারতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, ২০৩০ সালে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০৩১ সালে ভারতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের গুরুত্ব কমতে পারে, বিশেষ করে এক দিনের ক্রিকেটে। এর বদলে ত্রিদেশীয় ও চতুর্দেশীয় সিরিজ আয়োজনের প্রবণতা বাড়তে পারে। দীর্ঘ ও ব্যস্ত সূচির মধ্যে ক্রিকেটারদের বিশ্রাম এবং বড় সিরিজের আগে প্রস্তুতির সুযোগ নিশ্চিত করতেই এমন পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিতে পারে ভারত।
ভারতের এই উদ্যোগের পেছনে ক্রিকেটারদের চোট ও দীর্ঘ সূচির চাপও বড় কারণ। সাইকিয়া আগেই জানিয়েছিলেন, কোচ ও অধিনায়কের মতামত নেয়া হয়েছে। তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে ভবিষ্যতের সূচি এমনভাবে সাজানোর চেষ্টা করা হবে, যাতে ক্রিকেটারেরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিয়ে বড় সিরিজে নামতে পারেন।