স্টোকসকে পেতে প্রায় ৫ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার খরচ করছে স্ট্রাইকার্স, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকার কাছাকাছি। এর আগে বিগ ব্যাশের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ছিল ৪ লাখ ২০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার। ফলে নতুন চুক্তিতে আগের রেকর্ডকে বেশ ভালো ব্যবধানেই ছাড়িয়ে গেলেন স্টোকস।
স্টোকসকে দলে পাওয়ার পর উচ্ছ্বসিত অ্যাডিলেডের কোচ ও সাবেক অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক টিম পেইন। তিনি বলেন, ‘বেন ক্রিকেটের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা আছে তার। চাপের মুহূর্তে সে নিজেকে মেলে ধরতে পারে। এমন একজন ক্রিকেটারকে দলে পেয়ে আমরা রোমাঞ্চিত।’
স্টোকসও নতুন দলের হয়ে খেলার অপেক্ষায় রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে সবসময়ই ভালো লাগে। স্ট্রাইকার্সের হয়ে খেলার সুযোগটি হাতছাড়া করার মতো ছিল না। অ্যাডিলেড ওভালে খেলতে মুখিয়ে আছি। দলের সঙ্গে দেখা করে সফল একটি মৌসুমে অবদান রাখতে চাই।’
বিগ ব্যাশে এটি স্টোকসের দ্বিতীয় মৌসুম। এর আগে ২০১৪-১৫ মৌসুমে মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে চারটি ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। তবে দীর্ঘদিন ধরে এই সংস্করণের ক্রিকেটে দেখা যায়নি তাকে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ‘দ্য হান্ড্রেড’-এ খেলেছিলেন তিনি।
সেবার অবশ্য চোটে পড়েন এই অলরাউন্ডার।
স্টোকসের বিগ ব্যাশ যাত্রা শুরু হবে ১৬ ডিসেম্বর সিডনি থান্ডারের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। ক্যানবেরায় সেই ম্যাচের পর ২৩ ডিসেম্বর অ্যাডিলেড ওভালে ঘরের মাঠে থান্ডারের বিপক্ষে খেলবে স্ট্রাইকার্স। বিগ ব্যাশের নতুন মৌসুম শুরু হবে ১২ ডিসেম্বর।