পাঁচ টেস্টের সিরিজের সবচেয়ে উত্তরের ভেন্যু হবে নটিংহামের ট্রেন্ট ব্রিজ। লর্ডস, এজবাস্টন ও দ্য ওভালও সূচিতে রয়েছে। প্রথমবারের মতো সাউদাম্পটনের ইউটিলিটা বোলও পুরুষদের অ্যাশেজ টেস্ট আয়োজন করবে। তবে ঐতিহ্যবাহী হেডিংলি ও ওল্ড ট্র্যাফোর্ড এবার থাকছে না। হেডিংলিতে ইংল্যান্ডের সাম্প্রতিক রেকর্ডও দুর্দান্ত, এই মাঠে টানা সাতটি টেস্ট জিতেছে তারা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাশেজের সূচি নিয়ে করা একটি পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে স্টোকস লেখেন, ‘লজ্জাজনক বললে কম বলা হবে। এর চেয়ে শামবোলিক বলাই বেশি যথাযথ।’ একই পোস্টে হেডিংলিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ইনিংস ও ১০৩ রানের জয়ের প্রশংসা করে তিনি লেখেন, ‘তবে দারুণ জয়।’
হেডিংলির সঙ্গে স্টোকসের রয়েছে বিশেষ স্মৃতি। ২০১৯ সালের অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাত্র এক উইকেট হাতে রেখে ৩৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ইংল্যান্ডকে অবিশ্বাস্য জয় এনে দিয়েছিলেন তিনি। অপরাজিত ১৩৫ রানের সেই ইনিংসে জ্যাক লিচকে সঙ্গে নিয়ে শেষ উইকেটে ৭৬ রানের জুটি গড়েছিলেন স্টোকস।
স্টোকসের মন্তব্যের সঙ্গে একমত বর্তমান ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুটও। অ্যাশেজের সূচি নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় রুট বলেন, ‘সত্যি বলতে, শুধু লজ্জাজনক বললে কম বলা হয়।’
হেডিংলি বাদ পড়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ইংল্যান্ডের ব্যাটার হ্যারি ব্রুকও। স্কাই স্পোর্টসকে ব্রুক বলেন, ‘সত্যি বলতে, একটু হতাশ হয়েছি। টেস্ট ক্রিকেটে এখানে আমরা অনেক সাফল্য পেয়েছি। ২০১৯ সালের অ্যাশেজে স্টোকসের সেই অবিশ্বাস্য ইনিংস, এরপর গত অ্যাশেজেও এখানে আমরা লড়াইয়ে টিকে ছিলাম। ব্যক্তিগতভাবে এখানে খেলতে আমি খুব পছন্দ করি। এটি আমার অন্যতম, সম্ভবত সবচেয়ে প্রিয় মাঠ।’
ইংল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার মার্ক বুচারও সিদ্ধান্তটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। স্কাই স্পোর্টসকে বুচার বলেন, ‘পরের বছর ট্রেন্ট ব্রিজের পর উত্তর ইংল্যান্ডে কোনো অ্যাশেজ ম্যাচ থাকবে না,বিষয়টি আমার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। এটা অদ্ভুত। খেলাটিকে সবার জন্য বলে প্রচার করা হলে উত্তর ইংল্যান্ডেরও সেখানে প্রতিনিধিত্ব থাকা উচিত।’