হৃদয়ের ঝড়ো হাফ সেঞ্চুরির পর সাকিবের উইকেট, ফাইনালে জাফনা

এলপিএল
এলপিএল
এলপিএল
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) প্রথম কোয়ালিফায়ারে জাফনা কিংসের ব্যাটিং ঝড়ে উড়ে গেল গল গ্যালান্টস। কামিল মিশারার দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এবং শেষ দিকে তাওহীদ হৃদয়ের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে ২ উইকেটে ২৪২ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে জাফনা। জবাবে লড়াই করেও ২২৮ রানে থেমে যায় গল। ১৪ রানের জয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে জাফনা কিংস।

কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি জাফনার। ওপেনার আভিষ্কা ফার্নান্দো ১৪ বলে ১৯ রান করে ফিরলেও এরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন খাওয়াজা নাফে ও কামিল মিশারা। দ্বিতীয় উইকেটে মাত্র ৬৬ বলে ১৩৮ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়ে বড় সংগ্রহের ভিত গড়েন দুজন।

নাফে ৩২ বলে ৫৪ রান করে আউট হওয়ার পর ক্রিজে আসেন তাওহীদ হৃদয়। অন্য প্রান্তে মিশারা তখন ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। ১৬তম ওভারে ইশান মালিঙ্গাকে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে চার মেরে ৪৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। হাফ সেঞ্চুরির পর মাত্র ১৮ বলেই তিন অঙ্কে পৌঁছে যান এই লঙ্কান ব্যাটার।

শেষের ওভারগুলোতে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে জাফনা। হৃদয় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। মাত্র ২০ বলে তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। ইনিংসজুড়ে ৫টি ছক্কা ও ৩টি চারে সাজানো তার ঝড়ো ব্যাটিং জাফনার রানকে নিয়ে যায় ২৪২ পর্যন্ত। মিশারা অপরাজিত থাকেন ৫৫ বলে ১০৮ রান করে। হৃদয় অপারিজত ছিলেন ২১ বলে ৫৪ রান করে।

২৪৩ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় গল। থমাস রজার্স কোনো রান না করেই ফিরে যান। সাকিব আল হাসান নিজের প্রথম দুই ওভারে কিছুটা খরুচে থাকলেও তৃতীয় ওভারে চামিকা করুনারত্নের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে দলকে স্বস্তি এনে দেন। গলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন হার্পার। চামিকা ২১ বলে ৩৯ এবং দাসুন শানাকা ১৯ বলে ৩৪ রান করেছেন।

তাদের এই রানও যথেষ্ঠ ছিল না গলের জয়ের জন্য। জাফনার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন মোহাম্মদ শিরাজ। তিনি নেন ৩ উইকেট। লিজাড উইলিয়ামস শিকার করেন ২টি উইকেট। সাকিব আল হাসান ও দিলশান মাদুশঙ্কা নেন একটি করে উইকেট। এই ম্যাচে হারলেও দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে জিতে ফাইনালে ওঠার সুযোগ আছে গলের।

আরো পড়ুন: