জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে একাদশে ছিলেন মুস্তাফিজ। তবে সেই ম্যাচে ৬ ওভারের বেশি বোলিং করেননি তিনি। দ্বিতীয় ম্যাচে একাদশেই রাখা হয়নি তাকে। পরবর্তীতে বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয় হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট পড়েছেন মুস্তাফিজ। বিসিবির মেডিকেল বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফিরে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট থেকে সেরে উঠতে চার সপ্তাহের মতো সময় লাগার বাঁহাতি এই পেসারের। তবুও মুস্তাফিজকে ডেকে পাঠায় বার্মিংহাম। মূলত বাংলাদেশের তারকা পেসারের চোটের অবস্থা পরখ করে দেখতে চেয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। সেজন্য কদিন আগে ইংল্যান্ডেও যান মুস্তাফিজ।
সেখানে বেশ কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রিপোর্টে ভালো কিছু পাওয়া যায়নি। প্রথমে ধারণা করা হচ্ছিল, দ্য হান্ড্রেডের শুরুর দিকে বেশ কয়েকটি ম্যাচ মিস করতে পারেন তিনি। তবে বার্মিংহা জানিয়েছেন, ইংল্যান্ডের টুর্নামেন্টের চলতি আসরেই খেলা হচ্ছে না বাঁহাতি এই পেসার। যদিও এখনো পর্যন্ত মুস্তাফিজের বদলি ক্রিকেটারের নাম জানায়নি তারা।
গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিতই আইপিএল খেলছেন মুস্তাফিজ। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, দিল্লি ক্যাপিটালস, রাজস্থান রয়্যালস ও চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলেছেন। গত আসরে খেলার কথা ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে। তবে দুই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে খেলা হয়নি তার। যদিও আইপিএলের সময় পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) খেলেছেন।
গত বছরের শেষের দিকে খেলেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টিতেও। প্রথমবারের মতো দ্য হান্ড্রেডে খেলার কথা ছিল মুস্তাফিজের। গত মার্চে নিলাম থেকে বাঁহাতি পেসারকে ভিত্তিমূল্য এক লাখ পাউন্ডে কিনে নেয় বার্মিংহাম। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মুস্তাফিজের দ্য হান্ড্রেড খেলার সুযোগ থাকলেও শেষ পর্যন্ত চোটে কপাল পুড়ল।