২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে ইংল্যান্ড। মিরপুর ও চট্টগ্রামে হবে দুই টেস্টের সিরিজ। বাংলাদেশ সফর শেষ করে টেস্ট ক্রিকেটের দেড়শ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বিশেষ একটি টেস্ট ম্যাচ খেলতে মার্চে অস্ট্রেলিয়াতে যাবে ইংলিশরা। সেই সফর থেকে ফেরার পর অ্যাশেজ শুরুর আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলবে তারা।
গত কয়েক বছরে জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ডের মতো দলগুলোর বিপক্ষে খেলছে ইংল্যান্ড। তবে অ্যাশেজের ভালো প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশকে প্রস্তাব দিয়েছে ইসিবি। তাদের সেই প্রস্তাবে রাজিও হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যার ফলস্বরূপ আগামী বছরের ২৮ মে থেকে ১ জুন লর্ডসে হবে একমাত্র টেস্টটি।
বাংলাদেশকে আতিথেয়তা দেওয়া প্রসঙ্গে ইসিবিরি প্রধান নির্বাহী রিচার্ড গ্লাউড বলেন, ‘লর্ডসে একমাত্র টেস্টের জন্য বাংলাদেশকে স্বাগত জানাতে আমরা রোমাঞ্চিত। ২০১০ সালের পর এবারই প্রথম আমরা তাদের বিপক্ষে ঘরের মাঠে খেলব।’
২০১০ সালের পর এবারই প্রথম টেস্ট খেলতে ইংল্যান্ডে সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এর আগে মাত্র দুইবার ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের মাটিতে ২০০৫ সালে প্রথমবার এবং পরবর্তীতে টাইগাররা খেলেছে ২০১০ সালের জুনে। সবগুলো ম্যাচেই হেরেছে বাংলাদেশ। যেখানে সবশেষ সফরে লর্ডসে ৮ উইকেটে এবং ম্যানচেস্টারে বাংলাদেশ হেরেছিল ইনিংস ব্যবধানে।
বাংলাদেশের পাশাপাশি আগামী বছর মে মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে পাঁচ টেস্টের সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড। জুনে শুরু হবে পাঁচ টেস্টের অ্যাশেজ। ম্যাচগুলো হবে টেন্ট্র ব্রিজ, লর্ডস, এজবাস্টন, সাউদাম্পটন এবং কিয়া ওভালে। সেপ্টেম্বরে ব্রুকরা খেলবেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। তিনটি টি-টোয়েন্টির পাশাপাশি পাঁচটি ওয়ানডেও খেলবেন ইংলিশরা।