রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি কলম্বোর। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফেরেন রুবিন হারমান। পরের ওভারে আউট হয়েছেন সাদিরা সামারাবিক্রমাও। অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরলে আরও বিপদে পড়ে তারা। কামিন্দু মেন্ডিস ও বেন ম্যাকডরমট মিলে জুটি গড়ে ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। যদিও তাদের দুজনের জুটি বড় হতে দেননি ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ১৪ বলে ২২ রান করে আউট হয়েছেন ম্যাকডরমট।
একটু পর ফেরেন কামিন্দুও। ২৩ বলে ২৬ রান করা বাঁহাতি ব্যাটারও ফেরেন হাসারাঙ্গার বলে। পরবর্তীতে জুটি গড়ে কলম্বোকে টানতে থাকেন লিয়ানাগে ও নিশাম। দারুণ ব্যাটিংয়ে ৩০ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন লিয়ানাগে। কলম্বোকে জেতানোর পাশাপাশি ৩২ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি। তার সঙ্গে দলের হাল ধরা নিশাম অপরাজিত ছিলেন ৩৬ বলে ৪৮ রান করে। ক্যান্ডির হয়ে দুইটি উইকেট পান হাসারাঙ্গা।
গলের বিপক্ষে হারলেও দুই উইকেট নেওয়া হাসানের উপর আস্থা রাখে কলম্বো ক্যাপস। টস জিতে আগে বোলিংয়ে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই বাংলাদেশের পেসারের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক মেন্ডিস। প্রথম ওভারে অবশ্য সুবিধা করতে পারেননি তিনি। প্রথম তিন বল ডট দিলেও পরবর্তীতে দুইটি চার হজম করে দিয়েছেন ৮ রান। তবে নিজের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেটের দেখা পান হাসান।
ডানহাতি পেসারের লেংথ ডেলিভারিতে বড় শট খেলার চেষ্টায় মিড অনে সামারাবিক্রমার হাতে ক্যাচ দেন সেদিকউল্লাহ অটল। একই ওভারে ফিরিয়েছেন ডেল ফিলিপসকেও। হাসানের বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন নিউজিল্যান্ডের এই ব্যাটার। রিভিউ নিলেও শেষ রক্ষা হয়নি ফিলিপসের। সেই ওভারে মাত্র ১ রান খরচায় ২ উইকেট নেন হাসান। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারেও তাকে বল করান মেন্ডিস।
তৃতীয় ওভারে অবশ্য ভালো করতে পারেননি হাসান। একটি নো বল দেওয়ার পাশাপাশি তিনটি চারে দিয়েছেন ১৩ রান। কোটার শেষ ওভারে বোলিংয়ে এসে এক ছক্কায় ৯ রান দেন ডানহাতি এই পেসার। তবে নিজের শেষ ডেলিভারিতে দারুণ এক ইয়র্কারে হাসারাঙ্গাকে বোল্ড করেন। সবমিলিয়ে ক্যান্ডির বিপক্ষে ৪ ওভারে ৩১ রান খরচায় তিন উইকেট তুলে নেন হাসান। উইকেটের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়ে বিজয় শংকরের ক্যাচও নেন তিনি।
বাংলাদেশের পেসারের এমন বোলিংয়ের দিনে ১৭৯ রানে অল আউচ হয়েছে ক্যান্ডি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলেছেন লাহিরু উদারা। এ ছাড়া ম্যাথিউস ৪১ বলে ৪৫ এবং ১৭ বলে ৪১ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন মঈন। কলম্বোর হয়ে হাসান তিনটি এবং বিনুরা ফার্নান্দো চারটি উইকেট নিয়েছেন। খরুচে বোলিং করলেও দুইটি উইকেট নিয়েছেন নিশাম।