কলম্বোতে ডাম্বুলা সিক্সার্সের বিপক্ষে রান তাড়ায় প্রত্যাশিত শুরু পায়নি জাফনা। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ফেরেন কামিল মিশারা। পরের ওভারে আউট হয়েছেন আরেক ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্দোও। উইকেটে টিকতে পারেননি চামিন্দু বিক্রমাসিংহে। ৩৫ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর রাজাপাকশে ও ইব্রাহিম জাদরান মিলে জুটি গড়েন। সাবধানী ব্যাটিংয়ে তারা দুজনে যোগ করেন ৪৭ রান।
জুটির পঞ্চাশ হওয়ার আগেই ফেরেন ২১ রান করা ইব্রাহিম। সুবিধা করতে পারেননি ডেভিড ভিসেও। তবে ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন রাজাপাকশে। সমান চারটি করে ছক্কা ও চারে ৩৭ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন জাফনার অধিনায়ক। তাকে সঙ্গ দেওয়া ওয়েলালাগে ১৩ বলে ১১ রান করেছেন। ডাম্বুলার হয়ে দুইটি উইকেট পেয়েছেন চামিরা।
এর আগে টস জিতে বোলিংয়ে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাকিবের হাতে বল তুলে দেন রাজাপাকশে। নিজের প্রথম ওভারে কোনো বাউন্ডারি হজম না করে মাত্র ৪ রান দেন বাঁহাতি এই স্পিনার। পরবর্তীতে সাকিবকে বোলিংয়ে আনা হয় ইনিংসের ১২তম ওভারে। বোলিংয়ে ফিরেই রেজা হেনড্রিক্সের উইকেট তুলে নেন তিনি। বাঁহাতি স্পিনারের বলে পুল করার চেষ্টায় ডিপ মিড উইকেটে ম্যাথু ট্রাভিনের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
সাউথ আফ্রিকার হেনড্রিক্সের পর রমেশ মেন্ডিসের উইকেটেও নিয়েছেন সাকিব। দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে রমেশকে বোল্ড করেন বাঁহাতি এই স্পিনার। ডাম্বুলার বিপক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান খরচায় ২ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। যেখানে একটি মেইডেন ওভারও নিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডারের এমন বোলিংয়ের দিনে ১৩০ রানে অল আউট হয়েছে ডাম্বুলা।
ফ্র্যাঞ্চাইজিটির হয়ে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেছেন পবন রত্নায়েকে। এ ছাড়া নিরোশান ডিকওয়েলা ২৩, দুশমন্থ চামিরা ১৮ ও হেনড্রিক্স ১৮ রান করেছেন। জাফনার হয়ে সাকিব দুইটি, লিজাড উইলিয়ামস ও ট্রাভিন তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন দুনিথ ওয়েলালাগে ও দিলশান মাদুশঙ্কা।