পান্তের নেতৃত্বে এখন পর্যন্ত ২৮ ম্যাচে মাত্র ১০টি জয় পেয়েছে লক্ষ্মৌ, হেরেছে ১৮টিতে। পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে মুডি জানান, অধিনায়ক হিসেবে পান্ত কঠিন সময় পার করছেন এবং সেটার প্রভাব তার ব্যাটিংয়েও পড়ছে।
মুডি বলেন, 'অধিনায়কত্বের দিক থেকে ওর জন্য ব্যাপারটা অবশ্যই কঠিন ছিল এবং ফলাফল সেটাই বলছে। প্রশ্ন উঠতেই পারে, এই চাপ কি ওর ব্যাটিংয়েও প্রভাব ফেলছে? আমাদের জন্য এটি কঠিন মৌসুম ছিল। আমরা সময় নিয়ে সবকিছু পর্যালোচনা করব এবং সব দিক বিবেচনায় নেব।'
তিনি আরও বলেন, 'আমরা নিজেদের প্রত্যাশা বা মানের ধারেকাছেও যেতে পারিনি। ফ্র্যাঞ্চাইজির নেতৃত্ব নিয়েও খুব গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে ভবিষ্যতে সেটার চেহারা কেমন হবে। অন্য সব বিভাগের মতোই মৌসুম শেষে আমরা ঠান্ডা মাথায় বিশ্লেষণ করব এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেব। এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে, আমাদের নতুনভাবে শুরু করার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে।'
লক্ষ্মৌর হয়ে গত দুই মৌসুমে তার ব্যাটিংয়েও খুব বেশি ভালো করতে পারেননি পান্ত। গত দুই মৌসুমে লক্ষ্মৌর হয়ে ৫৮১ রান করেছেন পান্ত, স্ট্রাইক রেট ১৩৫.৭৪ । গড় ও স্ট্রাইক রেট দুটিই তার ক্যারিয়ার গড়ের চেয়ে কম। মৌসুমজুড়ে লক্ষ্মৌর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াতে 'অতিরিক্ত মতামত'-এর কারণে দলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।
তবে পুরো দায় কোনো এক ব্যক্তির ওপর চাপাতে নারাজ মুডি। তিনি বলেন, 'আমি মনে করি আমরা সবাই দায়ী। এখন কাউকে আলাদা করে দোষ দেওয়ার সময় নয়। আমরা সবাই জবাবদিহির মধ্যে আছি। শান্তভাবে সব বিশ্লেষণ করতে হবে। তবে কিছু বিষয় আছে, যেগুলো অবশ্যই সমাধান করতে হবে এবং সেগুলো করা হবে।'
যদি শেষ পর্যন্ত পান্তকে অধিনায়কত্ব থেকে সরানো হয়, তবে সেটি লক্ষ্মৌর ইতিহাসে প্রথম ঘটনা হবে না। আইপিএলে নিজেদের প্রথম তিন মৌসুমে দলটির নেতৃত্ব দেওয়া লোকেশ রাহুলও ফ্র্যাঞ্চাইজিতে সময়টা খুব সুখকর ছিল না বলে জানিয়েছিলেন। দল ছাড়ার পর তিনি বলেছিলেন, আরও 'হালকা ও স্বস্তিদায়ক' পরিবেশে খেলতে চেয়েছিলেন তিনি।