ইনিংস হার এড়ানোর মিশনেই শেষ দিন ব্যাটিংয়ে নেমেছিল সেন্ট্রাল জোন। কিন্তু আগের দিনের রানের সাথে মাত্র আট রান যোগ করতেই আউট হয়ে যান রাকিবুল হাসান। ৯ বলে ১১ রান করে পেসার ইবাদতের বলে আপার কাট করতে গিয়ে শর্ট থার্ডম্যান অঞ্চলে ইয়াসির আলী রাব্বির ক্যাচে পরিণত হন তিনি।
দলের স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ না করেই দলীয় ৯৮ রানে ফিরেন যান পেসার এনামুল হক। বড় শট খেলতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেট অঞ্চলে অমিত হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ইবাদতের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। সেন্ট্রালের শেষ উইকেটটিও তুলে নেন ইবাদত। লং অন অঞ্চলে সাদমান ইসলামের শটটি মুশফিকুর রহিম দুর্দান্তভাবে তালুবন্দি করলে মাত্র ১০৩ রানেই শেষ হয় সেন্ট্রালের ইনিংস। ইবাদতের চার উইকেটের পাশাপাশি ইস্ট জোনের তোফায়েল আহমেদ তিনটি এবং খালেদ আহমেদ, নাইম হাসান ও হাসান মুরাদ একটি করে উইকেট নেন।
এর আগে বিসিএলের প্রথম রাউন্ডের এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সাদমান, আশিকুর রহমান শিবলি ও আবু হায়দার রনির ফিফটিতে ৩০৭ রানের সংগ্রহ পেয়েছিল সেন্ট্রাল জোন। জবাব দিতে নেমে প্রথম ইনিংসে বড় লিড পায় ইস্ট জোন। জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়তে থাকা অমিত হাসানের ১৬২ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে প্রথম ইনিংসেই ম্যাচ জয়ের ভিত পেয়ে যায় ইস্ট। সাথে মাহমুদুল হাসান জয় ৬৪ ও অভিজ্ঞ মুশফিক করেন ৮৩ রান।
সেই ইনিংসে সেন্ট্রালের স্পিনার রকিবুল পাঁচ উইকেট শিকার করেন। তবুও ১৫৬ রানের বিশাল লিড পেয়েছিল ইস্ট। প্রতিপক্ষের বড় রানের চাপে ভেঙে পড়ে সেন্ট্রালের ব্যাটিং লাইনআপ। তৃতীয় দিনের শেষ ভাগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮২ রানেই সাত উইকেট হারিয়ে ইনিংস হার প্রায় নিশ্চিত হয়ে ছিল তাদের জন্য। বল হাতে ইস্ট জোনের ম্যাচ জয়ের নায়ক ছিলেন ইবাদত। দুই ইনিংস মিলিয়ে মাত্র ৮২ রানে ৮ উইকেট শিকার করেন এই পেসার।