নাহিদের ৩ উইকেট, পেশোয়ারের বিশাল জয়

পিএসএল
পেশোয়ার জালমি
পেশোয়ার জালমি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
করাচি কিংসের বিপক্ষে দারুণ এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন কুশল মেন্ডিস। তার বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করেই আগে ব্যাট করর ৩ উইকেটে ২৪৬ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করার পেশোয়ার জালমি। এরপর দলটির বোলাররা বাকি কাজ করেছেন। বিশেষ করে নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলাম দারুণ বোলিং করেছেন। নাহিদ ছিলেন দুর্দান্ত। তিনি একাই নেন ৩ উইকেট। পাশাপাশি শরিফুল নেন একটি উইকেট। ফলে করাচি অল আউট হয় মাত্র ৮৭ রানে। ১৫৯ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পেশোয়ার।

ইনিংসের প্রথম ওভারেই মোহাম্মদ ওয়াসিমকে ফিরিয়ে পেশোয়ারকে ছন্দ এনে দেন ইফতিখার আহমেদ। এরপর নিজের প্রথম ওভার করতে এসেই উইকেট পেয়েছেন শরিফুল। তিনি ফেরান ডেভিড ওয়ার্নারকে। নিজের প্রথম বলেই বাউন্সারে ওয়ার্নারকে কুপোকাত করে ফারহান ইউসুফের হাতে ক্যাচ তুলতে বাধ্য করেন।

শরিফুল দ্বিতীয় ওভারে ১১ ও তৃতীয় ওভারে ৮ রান দেন। আর নাহিদ মাত্র ওভারে ১ রান দিয়ে বোলিং শুরু করেন। নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে লেগ স্টাম্পে করা লেন্থ ডেলিভারিতে সাদ বেগকে নিজেই ক্যাচ ধরে আউট করেন নাহিদ। সেই ওভারে নাহিদ এক চারসহ দেন মোটে ৬ রান। তৃতীয় ওভারে এসে নাহিদ আউট করেন খুশদিল শাহকে। তার বলে ক্যাচ নিয়েছেন কুশল মেন্ডিস।

ওভারের শেষ বলে নাহিদ বোল্ড করেন অ্যাডাম জাম্পাকে। সেই ওভারে কোনো রানই দেননি বাংলাদেশের এই পেসার। আর শেষ ওভারে ১ রান দিলে নাহিদের বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড়ায় ৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট। ইফতিখার নিজের তৃতীয় ওভারে এসে হামজা সোহেলকে আউট করেন ৮৭ রানে গুটিয়ে দেন করাচিকে। ইফতিখার ৯ রানে শিকার করেন ৩ উইকেট। সুফিয়ান মুকিমও ছিলেন দারুণ ১৮ রানে তিনিও নেন ৩ উইকেট। করাচির হয়ে সর্বোচ্চ ২৫রান করেন আজম খান। এর বাইরে দুই অঙ্কে যেতে পেরেছেন কেবল সাদ ও খুশদিল।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই মোহাম্মাদ হারিসের উইকেট হারায় পেশোয়ার। তিনি শূন্য রানেই আউট হন খুশদিল শাহর শিকার হয়ে। দ্বিতীয় উইকেটে ১৯১ রানের জুটি গড়েন মেন্ডিস ও বাবর আজম। এদিন মেন্ডিসের সঙ্গে বাবরও ব্যাট হাতে ছিলেন বেশ সাবলীল।

এই দুজনের জুটিতেই ম্যাচের ছন্দ পেয়ে যায় জালমি। মেন্ডিস মাত্র ৫২ বলে ৪টি ছক্কা ও ১৪টি চারে ১০৯ রানের ইনিংস খেলেন। বাবর অবশ্য ৫১ বলে ৮৭ রানের অপরাজিত ছিলেন। তার ইনিংস সাজানো ছিল দুটি ছক্কা ও ১০টি চারে। শেষদিকে ব্যাটিংয়ে এসে মিচেল ব্রেসওয়েল ফেরেন ৬ রান করে। ১২ বলে ৪০ রানের ক্যামিও খেলেছেন আব্দুল সামাদ। ৩টি ছক্কা ও ১২টি চার মেরেছেন তিনি। সামাদ ও বাবর চতুর্থ উইকেটে মাত্র ১৮ বলে ৪৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন। আর তাতেই জালমির সংগ্রহ দাঁড়ায় প্রায় আড়াইশ।

আরো পড়ুন: