উইকেটশূন্য মুস্তাফিজ, লাহোরের বড় হার

পিএসএল
লাহোর কালান্দার্স
লাহোর কালান্দার্স
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
মোহাম্মদ নাইম, আব্দুল্লাহ শফিকদের ব্যর্থতার পরও একশ ছুঁতে পেরেছিল লাহোর কালান্দার্স। তিনবারের চ্যাম্পিয়ন ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের সঙ্গে জেতার জন্য মোটেও যথেষ্ট ছিল না। একশ রান নিয়ে শাহীন আফ্রিদি-মুস্তাফিজুর রহমানদের লড়াইয়ের সুযোগও ছিল না। ডেভন কনওয়ের হাফ সেঞ্চুরির সঙ্গে মোহাম্মদ ফাইকের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৯ উইকেটের সহজ জয়ই পেয়েছে ইসলামাবাদ। লাহোরের হারের দিনে বলার মতো কিছু করতে পারেননি মুস্তাফিজও। খানিকটা আঁটসাঁট বোলিং করলেও দুই ওভারে দুইটি বাউন্ডারি হজম করে খরচা করেছেন ১৬ রান। উইকেটের দেখাও মেলেনি বাংলাদেশের তারকা পেসারের।

করাচির ন্যাশনাল ব্যাংক স্টেডিয়ামে রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি ইসলামাবাদেরও। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ফেরেন সামির মিনহাস। শাহীন আফ্রিদির অফ স্টাম্পের অনেকটা বাইরের বলে উবাইদ শাহর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ছন্দে থাকা এই ব্যাটার। প্রথম উইকেট হারানোর পর জুটি গড়ে তোলেন ডেভন কনওয়ে ও মোহাম্মদ ফাইক। তারা দুজনে মিলে স্বাচ্ছন্দ্যে পাওয়ার প্লে কাটিয়ে দিয়েছেন।

কনওয়ে খানিকটা দেখেশুনে খেললেও ফাইক ছিলেন আক্রমণাত্বক। একটু পর অবশ্য দ্রুত রান তোলায় মনোযোগ দেন কনওয়ে, ঝড় তোলেন সিকান্দার রাজার উপর। ডানহাতি স্পিনারকে ছক্কা মেরে ৩৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার। পিএসএলে এটাই কনওয়ের প্রথম পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস। ৩৫ বলে ৫৯ রানে অপরাজিত ছিলেন কনওয়ে। ফাইকের ব্যাট থেকে এসেছে ১৯ বলে ৩৪ রান।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে লাহোর। মুলতান সুলতান্সের বিপক্ষে ক্যাচ ধরতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন। চোট থেকে সেরে উঠতে না পারায় গত ম্যাচে ১৯ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলা বাঁহাতি ওপেনারকে ছাড়াই খেলতে নামতে হয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে। ফখর জামানের পর পারভেজ ইমনও না থাকায় মোহাম্মদ নাইমের সঙ্গে ইনিংস শুরু করেন হাসিবউল্লাহ খান।

ব্যাটিংয়ের শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি লাহোরের। ইমাদ ওয়াসিমের দারুণ এক ডেলিভারিতে প্রথম বলেই ফেরেন নাইম। পাওয়ার প্লে শেষের আগে ফিরেছেন আব্দুল্লাহ শফিকও। একটু পর আউট হয়েছেন থিতু হওয়া হাসিবউল্লাহও। ১৪ বলে ৪ রান করা রুবিন হারমানও সুবিধা করতে পারেননি। পঞ্চাশের আগেই চার উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

সেই বিপর্যয় থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১০০ রানে অল আউট হয়েছে লাহোর। দলের একশতে নিয়ে যাওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন সিকান্দার রাজা ও আসিফ আলী। ১৯ বলে ২৫ রান করেন রাজা। আসিফের ব্যাট থেকে এসেছে ১৫ রান। ইসলামাবাদের হয়ে ক্রিস গ্রিন নিয়েছেন তিনটি উইকেট। এ ছাড়া ইমাদ, শাদাব খান ও রিচার্ড গ্লিসন দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন।

আরো পড়ুন: