আফ্রিকা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন তাদের কার্যক্রমের অর্থ জোগান নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগকে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে তুলতে চায়। গত বছর সংস্থাটির পুনর্গঠন করা হয় এবং জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের প্রধান তাভেংওয়া মুকুলানিকে চেয়ারম্যান করা হয়। এরপর থেকেই তারা নতুন নতুন সম্ভাবনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
বর্তমানে সংস্থাটি আর্থিকভাবে লাভজনক হতে পারে- এমন প্রস্তাবগুলো খতিয়ে দেখছে। তবে ২০২৭ সালের আগে এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা খুব কম। সব দিক বিবেচনা করে ধীরে এগোতেই আগ্রহী তারা।
টুর্নামেন্টটি আয়োজনের ক্ষেত্রে দুটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে, উপযুক্ত সময় নির্ধারণ এবং অংশগ্রহণের যোগ্যতা ঠিক করা। বিশেষ করে সাউথ আফ্রিকার অংশগ্রহণ এখানে বড় ভূমিকা রাখবে, কারণ মহাদেশের ব্যস্ততম দলগুলোর একটি তারা এবং তাদের সূচির ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে।
সাউথ আফ্রিকার ক্রিকেট বোর্ড নীতিগতভাবে এই পরিকল্পনার প্রতি আগ্রহ দেখালেও তারা তাদের সেরা দল পাঠাতে পারবে কি না, তা নির্ভর করছে নিজেদের ব্যস্ত সূচির ওপর। তাই সম্ভাব্য এই টুর্নামেন্টের জন্য তাদের ক্যালেন্ডারে আলাদা সময় বের করা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বর্তমানে সাউথ আফ্রিকা মৌসুম শেষে বিরতিতে থাকলেও সেপ্টেম্বর থেকে আবার তাদের ব্যস্ততা শুরু হবে এবং ২০২৭ সালের শুরু পর্যন্ত টানা খেলা রয়েছে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক সূচির নতুন পরিকল্পনা চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষাও রয়েছে, যা ভবিষ্যতের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে।
এদিকে জিম্বাবুয়ের ভিক্টোরিয়া ফলসে নতুন একটি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম উদ্বোধন উপলক্ষে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের আলোচনা চলছে। সেখানে নামিবিয়ার অংশ নেয়ার সম্ভাবনাও আছে। সম্ভাব্য এই সিরিজটি ভবিষ্যতের আফ্রিকা কাপের প্রস্তুতি হিসেবে কাজ করতে পারে এবং এখান থেকে প্রাপ্ত অর্থ সংস্থাটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
গত এক বছরে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সাউথ আফ্রিকার ক্রিকেটীয় সম্পর্কও বেশ জোরদার হয়েছে। জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় নিয়মিত সফরের পাশাপাশি তারা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। সামনে সাউথ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া যৌথভাবে একদিনের বিশ্বকাপ আয়োজন করবে, যেখানে আয়োজক দুই দেশ সরাসরি খেললেও নামিবিয়াকে এখনও যোগ্যতা অর্জনের লড়াই পার হতে হবে।