বেশ কয়েকজনকে বদলি হিসেবে বিবেচনায় নিলেও সেই ক্রিকেটাররা প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছে দ্য টেলিগ্রাফ। তারা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে চোটের কারণে কয়েকজন খেলোয়াড় ছিটকে যাওয়ায় জশ টাং ও জেমি স্মিথকে আইপিএলে খেলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
এমনিতেই ইংলিশ ক্রিকেটারদের সঙ্গে আইপিএলের সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়। গত বছর হ্যারি ব্রুকের আইপিএল না খেলার সিদ্ধান্তের পর বিসিসিআই খেলোয়াড়দের নিয়মে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়। আইপিএল ২০২৫ নিলামে দিল্লি ক্যাপিটালস ৬.২৫ কোটি রুপিতে তাকে দলে নিলেও তিনি আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ান।
সেই মাসের শেষেই ব্রুককে ইংল্যান্ডের সাদা বলের অধিনায়ক করা হয়। এর ফলে পরিষ্কার হয়ে যায়, তিনি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। কিন্তু এতে বড় ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। ব্রুককে প্রথম একাদশের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ভাবা হয়েছিল, অথচ টুর্নামেন্ট শুরুর এক মাসেরও কম সময় বাকি থাকতে দলটিতে নতুন করে একাদশ সাজাতে হয়।
এরপর আইপিএল না খেলে সরে দাঁড়ানো ক্রিকেটারদের জন্য সাময়িক নিষেধাজ্ঞা চালু করে ভারতীয় বোর্ড। তবুও সম্ভাব্য শাস্তির বিষয়টি জেনেও আরেক ইংলিশ ক্রিকেটার বেন ডাকেট একই পথ অনুসরণ করেছেন। মাত্র তিন দিন আগে তিনি এবারের আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ান। ফলে বিপাকে পড়েছে দিল্লি।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হওয়া সত্ত্বেও অনেক ইংলিশ ক্রিকেটারের কাছে আইপিএল ততটা আকর্ষণীয় নয়। এর পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) তাদের ক্রিকেটারদের বড় অঙ্কের পারিশ্রমিক দেয়। এক বছরের চুক্তিতে থাকা খেলোয়াড়রা ম্যাচ ফি ও বোনাস ছাড়া প্রায় ১ কোটি ৮৭ লাখ ৪৪ হাজার টাকা (প্রায়) পান।
আর তিন বছরের চুক্তিতে এই অঙ্ক সর্বোচ্চ ১১ কোটি ৫২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা (প্রায়) পর্যন্ত যেতে পারে। এ ছাড়া অনেক ইংলিশ ক্রিকেটার বেঞ্চে বসে থাকতে পছন্দ করেন না। বেন ডাকেটেরই একাদশে সুযোগ পাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। বেঞ্চে বসে থাকলেও ২ কোটি রুপি ও ম্যাচ ফি পেতেন তিনি। তবে তার কাছে খেলাটাই অগ্রাধিকার পেয়েছে।