বেঙ্গালুরু-রাজস্থানের মালিকানা বদলে বিসিসিআইয়ের আয় দেড় হাজার কোটি

আইপিএল
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও রাজস্থান রয়্যালস, ফাইল ফটো
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও রাজস্থান রয়্যালস, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
চোখধাঁধানো অঙ্কে ফ্র্যাঞ্চাইজি বিক্রি করে এক পক্ষ সন্তুষ্ট, আর কাঙ্ক্ষিত মালিকানা পেয়ে উচ্ছ্বাসে ভাসছে অন্য পক্ষ। পুরো প্রক্রিয়ায় আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়ার দায়িত্বে থাকা বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) ভাণ্ডারও সমৃদ্ধ হতে যাচ্ছে। মালিকানা বদলের এই ধাপে বিপুল অঙ্কের অর্থ যোগ হবে তাদের কোষাগারে।

সম্প্রতি আকাশছোঁয়া দামে বিক্রি হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও রাজস্থান রয়্যালস। এই দুই দলের মালিকানা হস্তান্তরের ফি থেকেই বোর্ড পাবে প্রায় এক হাজার ৫৫০ কোটি থেকে এক হাজার ৮৮৩ কোটি রুপি।

১৭৮ কোটি মার্কিন ডলার বা ১৬ হাজার ৬৬০ কোটি রুপিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু দলটি কিনেছে চার প্রতিষ্ঠানের একটি জোট, যেখানে আছে আদিত্য বিরলা গ্রুপ, টাইমস গ্রুপ, বোল্ট ভেঞ্চার্স ও বিএক্সপিই (ব্ল্যাকস্টোন’স পারপেচুয়াল প্রাইভেট ইকুইটি স্ট্র্যাটেজি)।।

রাজস্থান রয়্যালসের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি উদ্যোক্তা কাল সোমানির নেতৃত্বে একটি জোট দলটি কিনছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পেশাদার আমেরিকান ফুটবল লিগের দুটি দলের মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরাও আছেন। এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি কিনতে তাদের ব্যয় হচ্ছে ১৬৩ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার বা ১৫ হাজার ২৯০ কোটি রুপি।

নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা বদলে ৫ শতাংশ অর্থ পাবে ভারতীয় বোর্ড। ১০টি দলের চুক্তিতেই এই শর্ত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, ফলে মালিকানা বদলের প্রতিটি ক্ষেত্রেই বোর্ড আর্থিকভাবে লাভবান হয়।

আইপিএলের যেকোনো মালিকানা হস্তান্তরের সময় এই নিয়ম কার্যকর হয়। বোর্ড ও পরিচালনা পরিষদের অনুমোদনের পাশাপাশি এই শর্ত নিশ্চিত করে যে, প্রতিটি পরিবর্তন থেকেই বোর্ডের আয় বাড়বে।

তবে মোট আয়ের সুনির্দিষ্ট হিসাব এখনই স্পষ্ট নয়। কারণ রাজস্থান রয়্যালসের মালিকানা বদলের সঙ্গে তাদের অন্য দুটি দেশের লিগের দলও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবুও ধারণা করা হচ্ছে, এই দুটি বড় চুক্তি থেকেই বিসিসিআই অন্তত দেড় হাজার কোটি রুপির বেশি আয় করতে যাচ্ছে।

আরো পড়ুন: