সিলেটকে হারিয়ে কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী

বিপিএল
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ম্যাচ জিততে শেষ ১২ বলে ২৫ রান প্রয়োজন ছিল সিলেট টাইটান্সের। মঈন আলী ব্যাটিংয়ে থাকায় সুযোগ তাদের। রিপন মন্ডলের প্রথম বলে ছক্কা মেরে সিলেটের সমর্থকদের স্বপ্ন দেখাতে থাকেন মঈন। পরের বলে ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার ছক্কা মারেন ডিপ মিড উইকেটের উপর দিয়ে। বাকি ১০ বলে ১৩ রান করতে পারলেই জিতে যেতো সিলেট। এমন সময় রিপনের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে এক্সট্রা কভারের উপর দিয়ে ছক্কা মারার চেষ্টায় আউট হয়েছেন ১২ বলে ২৭ রান করা মঈন। বাঁহাতি ব্যাটারের বিদায়েই স্বপ্ন ভঙ্গ হয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটির। সিলেটকে ৫ রানে হারিয়ে কোয়ালিফায়ারে জায়গা করে নিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ৯ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১৪। নাজমুল শান্তর দলের পাশাপাশি সেরা দুইয়ে থাকার সবচেয়ে বেশি সুযোগ আছে চট্টগ্রাম রয়্যালসের।

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই উইকেট হারায় সিলেট। রিপন মণ্ডলের বলে উড়িয়ে মারার চেষ্টায় রায়ান বার্লের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তৌফিক খান তুষার। রানখরা কাটাতে তিনে নেমেছিলেন মিরাজ। তবে ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি। বিনুরা ফার্নান্দোর বলে উইকেটের পেছনে মুশফিককে ক্যাচ দিয়েছেন ২ বলে ১ রান করা সিলেটের অধিনায়ক। দ্রুতই দুই উইকেট হারানোর পর জুটি গড়ে তোলেন পারভেজ হোসেন ইমন ও মুমিনুল হক।

যদিও দ্রুত রান তুলতে পারেননি তারা দুজন। ইনিংসের দশম ওভারে পারভেজ ইমনকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ রুবেল। ডানহাতি স্পিনারের বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন ৩০ বলে ৪১ রান করা বাঁহাতি ওপেনার। সিলেটের রান একশ হওয়ার আগে ফিরেছেন আফিফ হোসেনও। পেসার রিপনের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ দিয়ে। ১৫ বলে ১৬ রান করেছেন তিনি। একটু পর ফিরেছেন মুমিনুল হকও।

জিমি নিশামের বলে আউট হয়েছেন ৩৬ বলে ৩১ রান করা বাঁহাতি ব্যাটার। সুবিধা করতে পারেননি ইথান ব্রুকস। শেষের দিকে অবশ্য ব্যাট হাতে ঝড় তোলার চেষ্টা করেন মঈন। এক চার ও তিন ছক্কায় ১২ বলে ২৭ রানের ক্যামিও ইনিংস খেললেও সিলেটকে জেতাতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে রান তুলে থামতে হয় সিলেটকে। রাজশাহীর হয়ে ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে চারটি উইকেট নিয়েছেন রিপন।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রাজশাহী। দ্রুতই ফেরেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাহিবজাদা ফারহান। তাদের দুজন ফেরার পর জুটি গড়ে তোলেন মুশফিক ও শান্ত। তাদের ব্যাটেই এগোয় রাজশাহী। আক্রমণাত্বক ব্যাটিংয়ে ৩২ বলে ৫৬ রানের জুটি গড়েন তারা। শুরু থেকেই দারুণ ব্যাটিং করতে থাকা শান্তকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মিরাজ। ডানহাতি অফ স্পিনারের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন।

পাঁচ চার ও এক ছক্কায় ২১ বলে ৩৪ রান করেছেন বাঁহাতি ওপেনার। দ্রুতই ফেরেন নিশাম। ভালো ব্যাটিং করলেও হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি মুশফিকের। ৩০ বলে ৪০ রান করে আউট হয়েছেন নাসুমের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে। শেষের দিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১১ বলে ১৬ রান করলে ১৪৭ রানের পুঁজি পায় রাজশাহী। সিলেটের হয়ে দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন শহিদুল ও নাসুম।

আরো পড়ুন: