আগে ব্যাট করতে নেমে শরিফুল ইসলামের তোপে ১২৬ রানেই গুটিয়ে যায় নোয়াখালী। এরপর শুরুতে বিপর্যয়ে পড়লেও শেখ মেহেদী ও আসিফ আলীর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দারুণ জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম। যদিও এক সময় তাদের জয় পাওয়া নিয়েই বড় শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
আঙুলের ইনজুরির কারণে বিপিএল থেকে ছিটকে গেছেন অ্যাডাম রসিংটন। তার জায়গায় চট্টগ্রামের হয়ে নাইম শেখের সঙ্গে ইনিংস শুরু করতে নামেন মাহমুদুল হাসান জয়। তিনি শূন্য রানে ফেরেন। এরপর ২৯ রানের মধ্যে দলটি ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে। কিছুটা বিপর্যয় সামাল দেয়ার পর ফেরেন হাসান নেওয়াজও।
তিনি আউট হন ১১ রান করে। ষষ্ঠ উইকেটে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক শেখ মেহেদী ও অভিজ্ঞ পাকিস্তানি ব্যাটার আসিফ আলী। এই দুজনের পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটিতে সহজ জয় তুলে নিয়ে চট্টগ্রাম। মেহেদী ৩৬ বলে ৪৯ ও আসিফ ৩০ বলে ৩৬ রান করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। নোয়াখালীর হয়ে দুটি উইকেট নেন ইহসানউল্লাহ। আর একটি করে উইকেট পেয়েছেন হাসান মাহমুদ, সাব্বির হোসেন ও জহির খান।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে হাসান ইসাখিল ও সৌম্য সরকারের ব্যাটে ভালো শুরু পায় নোয়াখালী। যদিও ইনিংস বড় করতে পারেননি দুই ওপেনারই। সৌম্য সরকারকে থামতে হয় ১৪ রানেই। ইসাখীল করেন ২৫ রান। দলের হাল ধরতে পারেননি অধিনায়ক হায়দার আলী ও হাবিবুর রহমান সোহানও।
হায়দার ফেরেন ১২ রান করে। আর সোহানের ব্যাট থেকে আসে ১১ রান। মুনিম শাহরিয়ার রান আউট হয়ে কাটা পড়েছেন ১ রান করে। জাকের আলী ধীরগতির ইনিংস খেলে ফেরেন ২২ বলে ২৩ রান করে। শেষদিকে দলটির রান বাড়ান সাব্বির হোসেন। তার ১৯ বলে ২২ রানের ইনিংসে কোনো মতে ১২৯ রান সংগ্রহ করে নোয়াখালী।
চট্টগ্রামের হয়ে এদিন বল হাতে ছড়ি ঘুরিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। রান আটকে রাখার সঙ্গে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট নিয়েছেন তিনি। ৯ রানে মাত্র ৫ উইকেট শিকার করে চট্টগ্রামের নায়ক হন বাঁহাতি এই পেসার। পাশাপাশি ৩টি উইকেট নেন দলটির অধিনায়ক শেখ মেহেদী। আর একটি উইকেট পান আমের জামাল।